নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ: সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের নজরদারি বেড়েছে৷ তারই মাঝে সোনা পাচার করতে গিয়ে জওয়ানদের জালে ধরা পড়ল এক দুষ্কৃতী। বিএসএফের ৯৯ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানেরা ধৃতের কাছ থেকে ১০টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করেছে৷ যার বাজারদর সাড়ে ৩২ লক্ষ টাকা৷
[গরু পাচারকারী-বিএসএফ গুলির লড়াই, মৃত্যু যুবকের]
সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের ভিতরে অনেক কৃষিজমি রয়েছে৷ সেই জমিগুলিতে চাষ করেন স্থানীয় কৃষকরা। বিএসএফের অনুমতি নিয়ে তারা কাঁটাতার পেরিয়ে চাষাবাদের কাজে যান৷ সেই সুযোগে আবদুল নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি বুধবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানার মধুপুরের ১১ নম্বর গেট দিয়ে কাঁটাতারের ভেতরে ঢোকে। সেই সময় তার হাতে ছিল একটি প্লাস্টিক ব্যাগ৷ তাতেই সন্দেহ হয় বিএসএফের৷ ওই প্লাস্টিকের ভিতরে কী আছে, তা জানতে চান আধিকারিকরা৷ উপযুক্ত কোনও উত্তর দিতে পারেনি আবদুল৷ এরপরই ওই ব্যাগে তল্লাশি চালানো হয়৷ ব্যাগ থেকে একের পর এক মোট ১০টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করে বিএসএফ৷ যার আনুমানিক বাজারদর সাড়ে ৩২ লক্ষ টাকা৷ বিএসএফের তরফ থেকে বাজেয়াপ্ত হওয়া সোনা বাগদা শুল্ক দপ্তরের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

[বিছানায় পড়ে গলায় ফাঁস দেওয়া দেহ, প্রৌঢ়ের রহস্যমৃত্যুতে খড়দহে চাঞ্চল্য]
বিএসএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাচারকারীরা কেউ জুতোর ভিতরে আবার অনেক সময় অন্তর্বাসের ভিতর লুকিয়েও সোনার বিস্কুট পাচার করে৷ সম্প্রতি বাগদার মুস্তাফাপুর এলাকায় এভাবেই সোনার বিস্কুট পাচার চলছিল৷ সেবারও বিএসএফের হাতে ধরা পড়ে যায় পাচারকারী৷ উদ্ধার হয় প্রচুর পরিমাণ সোনা। সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স সূত্রে খবর, চলতি বছর তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে ১২জন সোনা পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ২৭.১৭৯ কিলোগ্রাম সোনা। যার মূল্য আনুমানিক ৮০ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা৷