Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
CBI

‘লাইট ডিউটি’র আবেদন জানাতেই ঘুষ চাইলেন আধিকারিক! অভিযোগ পেয়ে রাতেই ইসিএলে সিবিআই

সূত্রের দাবি, তল্লাশি চালিয়ে দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ০৯:৫০

link
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ০৯:৫০

options
link
‘লাইট ডিউটি’র আবেদন জানাতেই ঘুষ চাইলেন আধিকারিক! অভিযোগ পেয়ে রাতেই ইসিএলে সিবিআই zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

কাজে গাফিলতি এবং ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে সিবিআই রাডারে পাণ্ডবেশ্বরের সাউথ শ্যামলা কোলিয়ারির এক শীর্ষ আধিকারিক। বুধবার রাতে আচমকাই ওই আধিকারিকের বাড়ি এবং ইসিএলে অফিসে হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। জানা যায়, সেই সময় বাড়িতে কিংবা অফিসে কোথাও ছিলেন না ওই ব্যক্তি। কেন্দ্রীয়বাহিনীর ঘেরাটোপে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালান আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ তল্লাশিতে বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই। এরপর ওই আধিকারিকের ছেলেকেই জিজ্ঞাসাবাদ করতে নিয়ে যান তদন্তকারী আধিকারিকরা।

এক প্রত্যক্ষদর্শী মতিউর রহমানের দাবি, সিবিআই-এর একটি দল এসে দীর্ঘক্ষণ ধরে বাড়িতে ও অফিসে তল্লাশি চালায়। বিভিন্ন কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হয়। সংকর্ণন হরিজন বাড়িতে না থাকায় তাঁর ছেলেকে সঙ্গে করে নিয়ে যায় সিবিআই।

অভিযুক্ত ওই আধিকারিকের নাম সংকর্ণন হরিজন। সূত্রের খবর, সাউথ শ্যামলা কোলিয়ারির এক কর্মী শারীরিক অসুস্থতার কারণে তুলনামূলকভাবে হালকা কাজ বা ‘লাইট ডিউটি’ র আবেদন করেছিলেন। অভিযোগ, সেই কাজের বন্দোবস্ত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই কর্মীর কাছে ঘুষ দাবি করেছিলেন শীর্ষ ওই আধিকারিক সংকর্ণন হরিজন। বিষয়টি সামনে আসার পরই নড়েচড়ে বসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বুধবার রাতে হঠাৎ করে একযোগে সংকর্ণন হরিজনের বাড়ি এবং স্থানীয় ইসিএল অফিসে তল্লাশি চালায় সিবিআই।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
রাতেই আধিকারিকরা পৌঁছে যান ইসিএলে।

জানা যায়, প্রায় কয়েক ঘন্টা ধরে চলে নথিপত্র খতিয়ে দেখার কাজ। সূত্রের দাবি, তল্লাশি চালিয়ে দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। তবে অভিযান চলাকালীন সংকর্ণন হরিজনকে তাঁর বাড়িতে পাওয়া যায়নি। এরপর তাঁর ছেলে পঙ্কজ হরিজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায় তদন্তকারী দল। এক প্রত্যক্ষদর্শী মতিউর রহমানের দাবি, সিবিআই-এর একটি দল এসে দীর্ঘক্ষণ ধরে বাড়িতে ও অফিসে তল্লাশি চালায়। বিভিন্ন কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হয়। সংকর্ণন হরিজন বাড়িতে না থাকায় তাঁর ছেলেকে সঙ্গে করে নিয়ে যায় সিবিআই।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.