কেন্দ্র ডেপুটেশনে চাওয়ার পরই দার্জিলিঙের জেলাশাসককে সরাল রাজ্য। দার্জিলিঙের নতুন জেলাশাসক করা হল সুনীল আগরওয়ালকে। তিনি ১৯৯৪ সালের ডব্লিউবিসিএস (ইএক্সই) অফিসার। অন্যদিকে, ডিএম পদে থাকা মণীশ মিশ্রকে স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তরের স্পেশাল সেক্রেটারি পদে পাঠানো হয়েছে। এই দুই অফিসারকে দ্রুত তাঁদের নতুন পদে যোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
রাজ্য-রাষ্ট্রপতি সংঘাতের মাঝে দার্জিলিঙের জেলাশাসককে ডেপুটেশনে চাই কেন্দ্র। আজ, শুক্রবার ডেপুটেশনের চাওয়ার খবর সামনে আসে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এনিয়ে নবান্নের কাছে চিঠি আসে। তারপরই এদিন বিকেলেই রাজ্য সরকারে সদর দপ্তর নবান্ন থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, দার্জিলিঙের জেলাশাসক পদ থেকে তাঁকে বদলি করা হল। পাঠানো হয়েছে স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তরের স্পেশাল সেক্রেটারি পদে। কার্যত তাঁর পদোন্নতি হয়েছে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। অন্যদিকে, শিলিগুড়ির সিপি সি সুধাকরকেও ডেপুটেশনে চেয়েছে কেন্দ্র। তবে তাঁর কোনও বদলির নির্দেশ এখনও আসেনি।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর উত্তরবঙ্গ সফর ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাত বাধে। উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে আদিবাসী সম্মেলনে আমন্ত্রিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। বিধাননগরের বদলে বাগডোগরা বিমানবন্দরের অদূরে গোঁসাইপুরে সেই সভার স্থল নির্ধারিত হয়। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, “ওখানে (বিধাননগরে) অনুষ্ঠান হলে ভালো হতো। ওখানে অনেক জায়গা, অনেক মানুষ আসতে পারতেন। কিন্তু রাজ্য প্রশাসন কেন জানি না, এখানে সভার অনুমতি দেয়নি। আমিও বাংলারই মেয়ে। বাংলার মানুষকে আমি ভালোবাসি। মমতা বোধহয় রাগ করেছেন। জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। যা নিয়ে উত্তাল হয় রাজ্য রাজনীতি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রিপোর্টও তলব করে। সেই ঘটনার পরই পুলিশ কমিশনার ও জেলাশাসককে ডেপুটেশনে চায় কেন্দ্র। তারপরই দার্জিলিঙের জেলাশাসক পদে বদলি করল নবান্ন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা
-
সাতসকালে শওকত মোল্লার বাড়িতে এনআইএ হানা, তল্লাশির আগেই ‘পলাতক’ তৃণমূল নেতা
-
৪ জুন ২০২৬: মীন রাশির আজকের দিন