BREAKING NEWS

১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

হাসপাতালে মোবাইলে ব্যস্ত নার্স! অক্সিজেনের অভাবে মৃত শিশু

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: May 26, 2019 8:10 pm|    Updated: May 26, 2019 8:10 pm

An Images

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: অসুস্থ শিশুকে ফেলে রেখে মোবাইলে ব্যস্ত নার্স! অভিযোগ, চিকিৎসক ও নার্সের এই গাফিলতির জেরেই মৃত্যু হয়েছে সাড়ে তিন মাসের শিশুর। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজের মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার হাবে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে সুপারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মৃত শিশুর পরিবারের সদস্যরা।    

    [আরও পড়ুন: ফ্ল্যাট থেকে একাকী প্রৌঢ়ার পচাগলা দেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে বাড়ছে ধোঁয়াশা]

শনিবার সকালে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সাড়ে তিন মাসের আয়ুশ বাউরিকে। বহির্বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে পরীক্ষা করার পর মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার হাবে ভরতি নিয়ে নেন। পরে রবিবার দুপুরে এক চিকিৎসক শিশুর পরিবারের সদস্যদের জানান, কুড়ি মিনিট পর শিশুটিকে অক্সিজেন দিতে হবে। চিকিৎসকের নির্দেশ মোতাবেক কুড়ি মিনিট পর থেকেই অক্সিজেন দেওয়ার জন্য নার্সদেরকে ডাকতে শুরু করেন শিশুর মা। অভিযোগ, সেই সময় মোবাইল ফোনে ব্যস্ত ছিলেন নার্সরা। তাই একাধিকবার ডাকাডাকি করার পরেও তাঁরা শিশুটির কাছে জাননি।

নার্সদের না পেয়ে বাধ্য হয়ে ওই শিশুর মা নিজেই অক্সিজেন মেশিনের মাধ্যমে সন্তানকে অক্সিজেন দেওয়ার চেষ্টা করেন। মুহূর্তের মধ্যেই শিশুটির নাক, মুখ থেকে রক্ত বের হতে শুরু করে। এর কয়েক মিনিটের মাথায় মৃত্যু হয় তার। এরপরই কর্তব্যরত নার্স ও চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে শিশুর পরিবারের সদস্যরা। ইতিমধ্যেই হাসপাতাল সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে মৃতের পরিবারের সদস্যরা।

[আরও পড়ুন: রাজনৈতিক হিংসায় ফের উত্তপ্ত তুফানগঞ্জ, ধারালো অস্ত্রের কোপ ২ তৃণমূল কর্মীকে]

জানা গিয়েছে, মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার হাবে কর্তব্যরত নার্সরা প্রায়শই শিশুদের পরিবারের সদস্যদের দিয়ে জ্বর মাপা, অক্সিজেন দেওয়ার মতো নানা কাজ করিয়ে থাকেন। এই নিয়ে একাধিকবার রোগীর পরিবারের তরফে হাসপাতালে অভিযোগও জানানো হয়। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি। এদিনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন হাসপাতাল সুপার। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement