Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

দারিদ্রর সঙ্গে যুঝে উচ্চশিক্ষা, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে সম্মানিত সুবীর

সিভিক ভলান্টিয়ারের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত আসানসোল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০১৮, ১৯:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০১৮, ১৯:২৬

options
link
দারিদ্রর সঙ্গে যুঝে উচ্চশিক্ষা, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে সম্মানিত সুবীর zoom

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার সঙ্গে একই মঞ্চে স্বর্ণপদক পেলেন এক সিভিক ভলান্টিয়ার্স। আসানসোল সিভিক পুলিশ সুবীর পাল এক নিষ্ঠাবান ছাত্র। একদিকে রোদে জলে রাস্তায় ডিউটি অন্যদিকে, তারই ফাঁকে পড়াশোনা। দর্শন (ফিলোজফি) বিভাগে ৭৬ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন তিনি। নীল হলুদ রোগ পড়ে তিনি বসেছিলেন একেবারে প্রথম সারিতে। মঞ্চে নাম ঘোষণা হতেই করতালিতে ভরে ওঠে সভাঘর। তাঁর অদম্য প্রচেষ্টার কাহিনি জানে সারা বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঞ্চে যখন ডি-লিট সম্মানের জন্য প্রধান অতিথির পদ অলঙ্কৃত করলেন তখন ওই একই মঞ্চে উপাচার্যের হাত থেকে স্বর্ণপদক ও শংসাপত্র নিলেন সুবীর পাল।

[অব্যাহতি সিপি জোশীকে, বাংলায় কংগ্রেসের পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে এবার গৌরব গগৈ]

আসানসোল উত্তরথানার জাহাঙ্গিরি মহল্লা আউটপোস্টে তাঁর ডিউটি। কিন্তু এত মেধাবী ছাত্র কেন সিভিক পুলিশের চাকরিতে এলেন? সুবীর বলেন, পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য সিভিক পুলিশের চাকরিতে আসা। বাড়িতে আছেন মা এবং দাদা। ২০০৯ সালে মারা গিয়েছেন বাবা। সেনরেলে সাইকেল কারখানার অস্থায়ী শ্রমিক ছিলেন তিনি। কারখানা বন্ধ হওয়ার পর থেকই অভাবের সংসার। দাদা বেসরকারির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ল্যাবে অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার। তবে দাদারও সংসার আছে। তাই পড়াশোনার খরচ জোগাতে কিছু কাজ করতেই হত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০১৩ সালে সুবীর সিভিক পুলিশের কাজে যোগ দেন। তারপরেই নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-১৭ বর্ষে দর্শন নিয়ে পড়া শুরু করেন। সুবীর জানান, নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয় গেলে আলাদা শিক্ষকের প্রয়োজন পড়ে না। তিনি নিয়মিত ক্লাস করার চেষ্টা করেছেন। তাতেই ভাল ফল হয়েছে। আগামিদিনে এমফিল করার ইচ্ছে আছে তাঁর। বিশ্ববিদ্যালয়ে গোল্ড মেডেলের খবর পেয়ে উচ্ছ্বসিত আসানসোলের গোবিন্দপুর। সেখানেই ছোট্ট বাড়ি সুবীরের। পাড়ার লোক যখন উচ্ছ্বসিত তখন শাড়ির আঁচলে চোখের জল মুছছেন মা যমুনা পাল। বাড়িতে দেখা যায় ছোট তাকে তার পড়াশোনার বই খাতা। সুবীর জানায়, উচ্চ শিক্ষার জন্য যে স্বপ্ন দেখেছে সে তা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সিভিক পুলিশের ডিউটি চালিয়ে যাবেন। কারণ পড়াশোনা যতই থাক বিকল্প রোজগার না হলে পড়াশোনাটাই আর চালাতে পারবে না সে। এই খবর খুশি আসানসোলের পুলিশ মহলও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.