Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
বিজেপি

জোর করে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানোর চেষ্টা, তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র মল্লারপুর

আহত হয়েছেন দু'পক্ষের মোট ন’জন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০১৯, ১৪:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০১৯, ১৪:৫৬

options
link
জোর করে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানোর চেষ্টা, তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র মল্লারপুর zoom
ফাইল ছবি

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। বুধবার রাতে জোর করে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল বীরভূমের ময়ূরেশ্বরের মল্লারপুরে। ঘটনায় কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীরা। আহত হয়েছেন দু’পক্ষের মোট ন’জন। এখনও থমথমে এলাকা।

[আরও পড়ুন: নিমতা কাণ্ডে ৫ বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর, নিহত নেতার বাড়ি যাচ্ছেন মমতা]

‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিকে কেন্দ্র করে বারবার উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্য রাজনীতি। ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনির জেরে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে খোদ মুখ্যমন্ত্রীকে। বিজেপিকে পালটা আক্রমণের পথও বের করেছে তৃণমূল। এরই মাঝে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার মল্লারপুর। জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে মল্লারপুর চত্বরে জোরে গান বাজিয়ে উল্লাস করছিলেন এলাকার বেশ কিছু বিজেপি কর্মী ও গ্রামবাসীরা। সেই সময় ডাক্তার দেখিয়ে ফিরছিলেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মানিক লেধের ছেলে অভিজিৎ ও মেয়ে মিতা।  

Advertisement

[আরও পড়ুন: অযোধ্যা পাহাড় রক্ষা করতে ফের আন্দোলন পুরুলিয়ার সামাজিক সংগঠনগুলির]

অভিযোগ, সেই সময় তাঁদের পথ আটকায় বিজেপির কর্মীরা। তাঁদের ‘জয় শ্রীরাম’ বলার জন্য জোর করা হয়। কিন্তু অভিজিৎ ‘জয় শ্রীরামের’ পালটা ‘জয় হিন্দ, জয় বাংলা’ বলেন। এরপর কোনও ক্রমে পালিয়ে বাড়ি পৌঁছান মিতা ও অভিজিৎ। বাড়ি গিয়ে গোটা ঘটনাটি জানানোর পরেই মানিকবাবু স্ত্রী ও সন্তান-সহ দলবল নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন। সেখানে বচসায় জড়িয়ে পড়ে দু’পক্ষ। লাঠি নিয়ে দু’দলের সদস্যরাই প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে। আহত হন ৯ জন। তাঁদের মধ্যে ৫ জন বিজেপি কর্মী। মানিকবাবুর অভিযোগ, আহত হয়েছেন তাঁর দলের মোট ৫ জন। তাঁদের মধ্যে তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকালেও উত্তপ্ত এলাকা। টহল দিচ্ছে পুলিশ। তবে কোনও তরফেই এখনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।      

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.