Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Jhargram

স্কুল চত্বরে ঘুরে বেড়াচ্ছে হাঁস, একমাস ধরে ঝাড়গ্রামের জলবন্দি স্কুলেই চলছে পঠনপাঠন

জানা গিয়েছে, প্রায় এক মাস ধরে একই পরিস্থিতি চলছে ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম ব্লকের কেতকীনেশিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

সুনীপা চক্রবর্তী
সুনীপা চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৯:৪৯

link
সুনীপা চক্রবর্তী
সুনীপা চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৯:৪৯

options
link
স্কুল চত্বরে ঘুরে বেড়াচ্ছে হাঁস, একমাস ধরে ঝাড়গ্রামের জলবন্দি স্কুলেই চলছে পঠনপাঠন zoom
একমাস ধরে জলবন্দি ঝাড়গ্রামের এই স্কুল। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

গত প্রায় একমাস ধরে জলবন্দি স্কুল। রয়েছে এক হাঁটু জল। স্কুল চত্বরে ঘুরে বেড়াচ্ছে হাঁস। জমে থাকা গন্ধযুক্ত নোংরা জল পেরিয়েই পিঠে ব্যাগ নিয়ে স্কুলে আসছে খুদে পড়ুয়ারা। রান্না ঘরেও জমেছে জল। এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বারান্দাতেই রান্না হচ্ছে মিড ডে মিল। ব্লক প্রশাসন এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও জমা জল বের করার কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গিয়েছে, প্রায় এক মাস ধরে একই পরিস্থিতি চলছে ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম ব্লকের কেতকীনেশিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। স্কুলের চারপাশে জল থইথই করছে। তার মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন স্কুলে আসছে পড়ুয়ারা। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, প্রথমদিকে স্থানীয় একটি ক্লাবঘরে অস্থায়ীভাবে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন শিক্ষক শিক্ষিকারা। কিন্তু ওই ক্লাবঘরে মৌমাছির বাসা থাকায় এক সপ্তাহ পর ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে ফের বিদ্যালয়েই ক্লাস শুরু করতে হয়। বর্তমানে জলমগ্ন বিদ্যালয় চত্বরেই কোনওরকমে পঠনপাঠন চলছে। অভিযোগ, গত বছর বিদ্যালয়ের পাশের রাস্তাটি কংক্রিটের করা হয়। এরপর থেকেই রাস্তার জল নিষ্কাশনের সমস্যা আরও বেড়েছে। বিদ্যালয়ের পাশে জমে থাকা জল আর বের হতে পারছে না। দীর্ঘদিন ধরে জল জমে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে। তৈরি হয়েছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। তার মধ্যেই পড়ুয়াদের যাতায়াত করতে হচ্ছে।

Advertisement

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলে মোট ৩৬ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। রয়েছেন দু’জন শিক্ষক এবং একজন প্যারা-টিচার। জল জমে থাকায় শুধু পঠনপাঠনই নয়, মিড ডে মিল রান্না করতেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। রান্নাঘরে জল ঢুকে যাওয়ায় বিদ্যালয়ের বারান্দাতেই রান্নার কাজ করতে হচ্ছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সত্যব্রত মাহাত বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের চারপাশে জল জমে রয়েছে। বিষয়টি ব্লক প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখে দ্রুত জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।” অভিভাবকদের অভিযোগ, বর্ষার সময় প্রতি বছরই বিদ্যালয়ের সামনে জল জমে সমস্যা তৈরি হয়। কিন্তু এ বার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। নোংরা জল পেরিয়ে ছোট ছোট পড়ুয়াদের স্কুলে আসতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে জল জমে থাকায় রোগজীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কাও রয়েছে। তাই পড়ুয়াদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে দ্রুত বিদ্যালয় চত্বর থেকে জমা জল সরানোর দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.