৪ ফাল্গুন  ১৪২৬  সোমবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo দিল্লি ২০২০ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ সফরের দ্বিতীয় দিনে দার্জিলিংয়ের মহাকাল মন্দিরে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জ্বলন্ত প্রদীপ হাতে নিয়ে আরতি করেন তিনি। কথা বলেন পুরোহিত-সহ মন্দিরে উপস্থিত মানুষদের সঙ্গে।

টানা একমাস কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে এনআরসি-বিরোধী আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূলনেত্রী। মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গে হাজির হয়েছেন তিনি। এদিন সকাল সকাল রাস্তায় নেমে স্থানীয় মানুষ, ব্যবসায়ীদের মন বোঝার কাজটা সেরে ফেলে মমতা। আজ নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় পথে নামবেন তিনি। তবে তার আগেই সকাল সকাল ম্যালের কাছে প্রায় ১০০ ফুট উঁচু মহাকাল মন্দিরে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। বেশ কিছুক্ষণ সেখানে থাকেন তিনি। পুজো দেন। মন্দির থেকে বেরিয়ে ব্যবসায়ীদের যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেদিকে নজর দেওয়ার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। পর্যটনের স্বার্থে যে এলাকা গুলি সাজানো হচ্ছে, সেই কাজ শীঘ্রই শেষ করার নির্দেশও দেন তিনি। পুজো সেরেই ভানুভবন যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে যোগ দেবেন সিএএ বিরোধী মিছিলে।

[আরও পড়ুন: ‘৫০ লক্ষ অনুপ্রবেশকারীকে দেশ ছাড়া করব’, কোচবিহারের সভা থেকে হুঁশিয়ারি দিলীপের]

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার পাহাড়ে পৌঁছনোর পরই সাধারণের সঙ্গে মিশে গিয়েছিলেন মু্খ্যমন্ত্রী। জনা কয়েক নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে সকালে রিচমন্ড হিল থেকে বেরিয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। সকালের ঠান্ডা কনকনে হাওয়া উপেক্ষা করে তিনি সিংমারি পৌঁছন। সেখান থেকে চিড়িয়াখানার সামনে দিয়ে চলে আসেন চৌরাস্তায়।স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে গল্প করেন। এরপর যাওয়ার পথে রাস্তায় স্থানীয় একটি শিশুর দিকে নজর পড়ে তাঁর। তিনি শিশুটির অভিভাবককে ডেকে জিজ্ঞাসা করেন, পোলিও খাওয়ানো হয়েছে কি না। অভিভাবক জানান, তাঁরা সে সুযোগ পাননি। সঙ্গে সঙ্গে তিনি ডেকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্তার কাছ থেকে পোলিওর প্রতিষেধক নিয়ে নিজের হাতে খাইয়ে দেন। অভিভাবক থেকে উপস্থিত জনতা তখন বিহ্বল। এরপর নেহরু রোড হয়ে রবার্টসন রোড এলাকা, অ্যলেক্সভিলা রোড হয়ে ভানুভবন। সেখান থেকে রিচমন্ড হিলে ফিরে যান মমতা।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং