Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৬ জুন ২০২৬

দেশের জন্য নেতাজির ভূমিকাকে আড়াল করা হয়েছে, কেন্দ্রকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর

প্রকৃত সম্মান পাননি নেতাজি, সরব মমতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০১৯, ০৯:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০১৯, ০৯:০০

options
link
দেশের জন্য নেতাজির ভূমিকাকে আড়াল করা হয়েছে, কেন্দ্রকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর zoom

কিংশুক প্রামাণিক, দার্জিলিং: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে আজও রাষ্ট্রনেতার মর্যাদা দেওয়া হয়নি। তাঁর জন্মদিনে জাতীয় ছুটি হয় না। দেশের জন্য তাঁর অবদানকে আড়াল করা হয়েছে। প্রকৃত সম্মান তিনি পাননি। এই অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

[ অন্ধকারে কপ্টার নামাতে সমস্যা, সিউড়িতে বাতিল স্মৃতির সভা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বুধবার দার্জিলিংয়ের ম্যালে নেতাজি জয়ন্তী পালন অনুষ্ঠানে বীর বিপ্লবীর অবদানের কথা উল্লেখ করে কেন্দ্রকে কাঠগড়ায় তোলেন মমতা। বুঝিয়ে দেন স্বাধীনতার সত্তর বছর পরও কেন্দ্রের কোনও সরকার নেতাজিকে তাঁর যোগ্য সম্মান দেয়নি। তাঁর লড়াইকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। অথচ, দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে আজাদ হিন্দ ফৌজের অবদান ছিল অপরিসীম। একই সঙ্গে নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যেরও কিনারা হয়নি। বলা ভাল, দেশের মানুষকে সত্য কী, তা জানাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্র। সেই প্রসঙ্গ তুলে মমতা এদিন ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বলেন, “আমরা নেতাজির জন্মদিন জানি। কিন্তু তারপর কী হল, মৃত্যু হল? না কি কোথাও চলে গেলেন, কিছুই জানা গেল না। খুবই লজ্জার আর দুঃখের বিষয় এটি।” ক্ষমতায় আসার পর পাহাড়েই নেতাজি জয়ন্তী পালন করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড়ে অশান্তির কারণে একবছর ছাড়া প্রতিবার মমতা এই দিনে ম্যালে উপস্থিত হয়েছেন। এদিন ম্যালে বর্ণাঢ্য সভায় উপচে পড়ে ভিড়। ছিল পুরোদস্তুর উৎসবের মেজাজ। কেন তিনি নেতাজি জয়ন্তী পালনের জন্য পাহাড়কে বেছে নিয়েছিলেন সেই প্রসঙ্গ তোলেন মমতা। জানান ব্রিটিশ আমলে পাহাড়ে নেতাজির বন্দি জীবনের কথা।

এদিকে নেতাজির কথা তুলে নাম না করে কেন্দ্রের শাসকদলকেও এদিন আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপি যখন নরেন্দ্র মোদিকে দেশনেতা হিসাবে তুলে ধরে তখন মমতার তোপ, “দেশের নেতা তিনিই হন যিনি সবাইকে নিয়ে চলতে পারেন। নেতাজি সবাইকে নিয়ে চলতেন।গান্ধীজি সবাইকে নিয়ে চলতেন। পাহাড়ের কবি ভানুভক্ত কোনও একজনের জন্য কবিতা লিখতেন না। সবার জন্য লিখতেন।” মমতা আরও বলেন,”কিন্তু আজ দেশে কী হচ্ছে? যিনি দেশ টুকরো করার চেষ্টা করেন তিনি দেশের নেতা হতে পারেন না। যিনি এককে অপরের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেন, আমি তাঁকে দেশের নেতা মনে করি না। আমরা তাঁকেই দেশের নেতা মানি যিনি নিজের জীবন দেশের জন্য বলি দেন। আজ দেশের সেই একতা আমাদের রক্ষা করতে হবে।” অর্থাৎ, অসহিষ্ণুতা ইস্যুতে বিজেপি তথা প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলি মুখ্যমন্ত্রী ইদানীং সব সভায় করছেন, সেই কথাগুলিই তুলে ধরলেন এদিন। নেতাজিকে উদাহরণ করে নাম না করে বিঁধলেন মোদিকে। লোকসভা ভোটের আগে নেতাজির আবেগকে কাজে লাগানোর চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। কয়েকদিন আগে আন্দামানে গিয়ে নেতাজির দেওয়া নামে দ্বীপের নামকরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

[ কাঁঠাল গাছ থেকে বেরোচ্ছে জলের মতো তরল! অবাক কাণ্ড রানিনগরে

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.