Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
মুখ্যমন্ত্রী

অর্থ দপ্তরের অনুমতি ছাড়া পুরসভায় কাজ কেন? ফিরহাদকে তিরস্কার মুখ্যমন্ত্রীর

প্রশাসনিক বৈঠক থেকে প্যারা টিচারদের প্রতি কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০১৯, ১৪:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০১৯, ১৪:৫৩

options
link
অর্থ দপ্তরের অনুমতি ছাড়া পুরসভায় কাজ কেন? ফিরহাদকে তিরস্কার মুখ্যমন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সম্মান করেন, তাই প্যারাটিচারদের দিকে তাকিয়ে ৪ হাজার থেকে বেতন বাড়িয়ে ১০ হাজার করা হয়েছে। এভাবে ক্লাস বয়কট করে, কালো ব্যাজ পরে পথে বসে আন্দোলনের পথে হেঁটে দাবি আদায় বরদাস্ত করা যাবে না। সোমবার হাওড়ার প্রশাসনিক বৈঠকে পার্শ্বশিক্ষকদের আন্দোলন নিয়ে এমনই কড়া বার্তা দিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘ ২০১২ সালে প্যারাটিচারদের বেতন ছিল মাত্র ৪ হাজার টাকা। ২০১৮এ তা আমরা বাড়িয়ে ১০ হাজারেরও বেশি করে দিয়েছি। বছর বছর বেতনবৃদ্ধি তো সম্ভব নয়। তাহলে কেন্দ্রের কাছে গিয়ে বলুন, আলাদা করে এরাজ্যের জন্য রিজার্ভ ব্যাংক করে দিতে। তাহলে আমি সব টাকা দিয়ে দেব।’ বলেন, সরকার মানবিক বলেই এখনও সরকারি কর্মীদের পেনশন দেওয়া হয়, যতটা বেশি সম্ভব সুবিধাও দেওয়া হয় তাঁদের। অন্যান্য রাজ্যে পেনশন উঠে গিয়েছ।

[আরও পড়ুন : আশা দেখাচ্ছে ‘দিদিকে বলো’, আমতায় হৃত জমি পুনরুদ্ধারের চেষ্টায় মরিয়া তৃণমূল]

পার্শ্বশিক্ষকদের আন্দোলন নিয়ে এই কড়া বার্তা দেওয়ার পরই অবশ্য মুখ্যমন্ত্রী মনোযোগ দেন হাওড়ার প্রশাসনিক কাজের পর্যালোচনায়। এদিন বৈঠকের আগেই ২৯ নং ওয়ার্ড এলাকার একটি বসতি পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। তার অবস্থা দেখেই রেগে গিয়েছিলেন। তারই প্রতিফলন পড়ল প্রশাসনিক বৈঠকে। কেন জেলার বসতিগুলির উন্নয়ন হয়নি, শৌচাগার নির্মাণ, নিকাশি ব্যবস্থা, পানীয় জল সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক নয়, একের পর এক প্রশ্ন তুলে হাওড়া পুরনিগমের প্রশাসক বোর্ডের প্রধানের কাছে জবাব চান তিনি। জল সমস্যা সমাধানে হাওড়ার ওলাবিবিতলায় পাম্পিং স্টেশন তৈরির কাজ হঠাত থমকে গেল কেন, সেই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তিনি। জানতে পারেন, প্রথমদিকে অর্থ দপ্তরের অনুমতি ছাড়া ওই প্রকল্পের কাজে হাত দেওয়ায় তা থমকে গিয়েছিল। তাতে তাঁর ক্ষোভ আরও বাড়তে থাকে। পুরসভায় কাজের নাম করে কেন অর্থদপ্তরের অনুমতি ছাড়াই চুক্তির ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে, তারও জবাবদিহি চান মুখ্যমন্ত্রী।   

Advertisement

এরপর পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে তিনি কড়া নির্দেশ দেন, প্রতিটি পুরসভায় অডিট হওয়া উচিত। অর্থদপ্তরের অনুমতি না নিয়ে কাজ করলে এবার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হবে। প্রয়োজনে ফৌজাদারি মামলাও দায়ের করা হবে। এপ্রসঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি নিজে কখনও অর্থদপ্তর থেকে ফাইল পাশ না করিয়ে কোনও কাজে হাত দিই না। কারণ, সেটাই নিয়ম। আর আপনারা কেন অনুমতি ছাড়াই কাজে হাত দিচ্ছেন? যাদের নিয়োগ করছেন, তাঁরা তো আমাদের দায়িত্বের মধ্যে এসে পড়ছেন। জানেন কি, এঁদের নিয়োগটাই বেআইনি? সরকারের টাকা এভাবে নিজেদের মতো করে ব্যবহার করতে পারেন না আপনারা।’ তিনি এই হুঁশিয়ারিও দেন, যাতে কেউ বেআইনি কোনও ফাইলে সই না করেন।

[আরও পড়ুন : মর্মান্তিক! টিকটক ভিডিও তৈরির নেশায় ট্রেনের সামনে অভিনয়, মৃত কিশোর]

পুর পরিষেবা দেওয়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মুখের কথা’য় অস্থায়ী কর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছিল, বিদায়ী মেয়র রথীন চক্রবর্তীর কাছে একথা শুনে মেজাজ কার্যত হারিয়ে ফেলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘এসব বলবেন না। সরকারি কাজ কখনও শুধু কথার উপর ভিত্তি করে হতে পারে না। ডোন্ট ইউজ মাই নেম।’ এসবের পর তিনি আবার নজর ফেরান হাওড়ার নাগরিক পরিষেবার দিকে। বসতি উন্নয়ন, জল সমস্যা সমাধানের জন্য একটি টাস্ক ফোর্স গড়ে দেন। কড়া নির্দেশ দেন, যাতে দ্রুত কাজ শুরু করে সব সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হয় টাস্ক ফোর্স।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.