Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
College Street

বাংলা মিডিয়াম স্কুলের পাঠ্যপুস্তকের চাহিদা কমায় হতাশ কলেজ স্ট্রিট, বিক্রির ভাটা কাটবে কীভাবে?

বৃষ্টিতে বই নষ্ট হয়ে যাওয়ার ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার কথাও বললেন দত্ত বুক স্টলের কর্ণধার।

Advertisement
পৌষালী কুণ্ডু
পৌষালী কুণ্ডু

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ১৪:১৩

link
পৌষালী কুণ্ডু
পৌষালী কুণ্ডু

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ১৪:১৩

options
link
বাংলা মিডিয়াম স্কুলের পাঠ্যপুস্তকের চাহিদা কমায় হতাশ কলেজ স্ট্রিট, বিক্রির ভাটা কাটবে কীভাবে? zoom
কলেজ স্ট্রিটে ক্রেতার অপেক্ষায় বই বিক্রেতারা। নিজস্ব ছবি।

বই বিক্রি হচ্ছে না। ভোট হয়। নানা রাজনৈতিক দল প্রচার করে। প্রার্থীরা আসেন, ঘুরে চলে যান। কিন্তু কলেজ স্ট্রিটের বইপাড়ার জৌলুস ফিরে আসে না।

বৈশাখের দুপুরে রোদের হলকা থেকে বাঁচতে ছোট্ট স্টলের ঝাঁপ অর্ধেক নামিয়ে রেখেছিলেন তপন দত্ত। ভোট নিয়ে কী ভাবছেন? বললেন, “এই পাড়ায় অনেকগুলো ইউনিয়ন আছে। দু’-একটি বাদে বেশিরভাগের সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগাযোগ নেই। অবশ্য ভোট নিয়ে জোর আলোচনা চলছে বই বিক্রেতাদের মধ্যে। তাতে যা বুঝছি, তৃণমূল সরকারই থাকবে। তবে বিজেপির ভোট বাড়বে। অবশ্য এসবে আমাদের আলাদা কোনও লাভ-ক্ষতি হবে না।”

Advertisement

বৃষ্টিতে বই নষ্ট হয়ে যাওয়ার ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার কথাও বললেন দত্ত বুক স্টলের কর্ণধার। তাঁর অভিযোগ, “আমফানের সময় কলেজ স্ট্রিটের সমস্ত ছোট ছোট দোকানিদের ৭০ হাজার থেকে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় স্থানীয় বিধায়কের দেখা মেলেনি। রাজ্য সরকারের পাঠানো সাহায্য নামী প্রকাশনা সংস্থার এক কর্ণধার কুক্ষিগত করে রেখেছিলেন। প্রায় ৮০০ দোকানির মধ্যে পাঁচ শতাংশের হাতে পাঁচ-ছ’হাজার টাকা করে দিয়েছিলেন।”

কলেজ স্কোয়ার হকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ওয়েস্ট) কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দে বলেন, “আমাদের ব্যবসার অবস্থা খুব খারাপ। কারণ, গত কয়েক বছরে সরকারি চাকরি বন্ধ। চাকরির পরীক্ষার বই বিক্রি হচ্ছে না। আজকাল সব ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানোর চল। আর কলকাতার ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলোর কাছ থেকেই বই কিনতে হয় ছাত্রছাত্রীদের। দিল্লি বা আইসিএসই বোর্ডের স্কুলপাঠ্য কলেজ স্ট্রিটে হাতেগোনা দোকানে রমরমিয়ে বিক্রি হয়। বাংলা মিডিয়ামের বইও ছোট পাবলিশার্স বের করতে পারে না। কয়েকটা বড় সংস্থাই একচেটিয়া ব্যবসা করছে।” তাঁর মতে, বিজেপি এলে বইপাড়ার সংস্কৃতি অটুট থাকবে কি না তা নিয়ে ভাবনার কিছু নেই। মোদি-শাহর উচ্চারণ শুনে বাঙালি সংস্কৃতি ক্ষুণ্ণ হবে, ভাবার কারণ নেই। এখন বিজেপি বুঝেছে বাঙালিয়ানা বজায় রেখে কীভাবে মাঠে নামতে হয়।

বাংলা মাধ্যমে সেমেস্টার পদ্ধতি চালু হওয়ায় বিরক্ত বঙ্কিম পুস্তক ব্যবসায়ী সমিতির সুমিত্রা বুক স্টলের কর্ণধার। তাঁর বক্তব্য, “পড়াশোনার চাপ কমেছে। কেউ আর পড়ার বই এখান থেকে কিনতে আসে না। তৃণমূল সরকারই আসুক। চাইব শুধু, বই বিক্রেতাদের উন্নয়নের কথা তারা আর একটু ভাবুক।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.