Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬
TMC

ফের বীরভূমে গাড়ি বিতর্ক, তৃণমূল নেতার গাড়ি চড়ছেন বিজেপির জেলা সভাপতি!

ওই গাড়ির মাসিক কিস্তি কে দিচ্ছেন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২২, ০৮:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২২, ০৮:৫৮

options
link
ফের বীরভূমে গাড়ি বিতর্ক, তৃণমূল নেতার গাড়ি চড়ছেন বিজেপির জেলা সভাপতি! zoom
Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা ও সিউড়ি: এবার গাড়ি বিতর্কে বীরভূমেরই (Birbhum) বিজেপির জেলা সভাপতি। মহম্মদবাজারের এক তৃণমূল নেতা শুভ্রাংশু চৌধুরীর নামে রেজিস্ট্রেশন করা গাড়ি চড়ছেন বিজেপির বীরভূম জেলার সভাপতি ধ্রুব সাহা! শুধু তিনি একাই চড়ছেন না, বিজেপির নানা কর্মসূচিতে তৃণমূল নেতার নামের এই গাড়িটি বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে বলে স্বীকার করেছেন দলের অনেক নেতাই। শুধু তাই নয়, গাড়ির কিস্তির মাসিক ৩১ হাজার টাকাও নাকি তৃণমূলের নেতারাই দিচ্ছেন বলে জেলা বিজেপির একাংশ অভিযোগের আঙুল তুলেছে।

বীরভূম জেলার বিজেপিরই জেলা কমিটির প্রাক্তন সদস্য অনিল সিং শনিবার ফেসবুক পোস্ট করে বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছেন। শুভ্রাংশু চৌধুরী বর্তমানে মহম্মদবাজারের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি। প্রথমে তৃণমূল করলেও মাঝে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভ্রাংশু। তারপর বছর দেড়েক আগে আবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে চলে আসেন। শুভ্রাংশুর বক্তব্য, “আমি যখন বিজেপিতে ছিলাম, তখন গাড়িটি দলীয় কাজে ব্যবহৃত হত। আমি বিজেপি ছেড়ে আসার সময় ধ্রুবকে বলেছি গাড়িটির জন্য প্রতি মাসে বকেয়া কিস্তি ৩১ হাজার টাকা করে মিটিয়ে দিতে। গাড়ি কেনার সময় যে ৫ লক্ষ টাকা আমি দিয়েছিলাম সেটা পরে মিটিয়ে দিলে গাড়ির কাগজপত্র দিয়ে দেব।” বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহার দাবি, গাড়ির কিস্তি শোধ হয়ে গেলে কাগজপত্র ঠিক করে গাড়িটি হস্তান্তর হয়ে যাবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত ভোটের আগে স্বচ্ছতায় জোর দিয়ে দুই সাংগঠনিক জেলার সংগঠন ঢেলে সাজাল তৃণমূল]

সম্প্রতি তাঁর দলের কেন্দ্রীয় নেতা অনুপম হাজরা যে দাবি করেছেন সে বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে ধ্রুব সাহার জবাব, “অনুপমবাবু কেন্দ্রীয় নেতা। উনি কী বলেছেন জানি না।” এদিকে, গেরুয়া শিবিরের অন্দরে প্রশ্ন উঠেছে, বর্তমানে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শুভ্রাংশু চৌধুরীর গাড়ি কেন ব্যবহার করছেন ধ্রুববাবু? এতদিন হয়ে যাওয়ার পরও কেন নিজের নামে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন করে নেননি তিনি? ওই গাড়িটির মাসিক কিস্তির টাকা যে বিজেপি সভাপতিই দিচ্ছেন তার কী প্রমাণ রয়েছে? রাজ্য বিজেপির এক শীর্ষ নেতার ঘনিষ্ঠ বলেই দলে পরিচিত ধ্রুব সাহা। বীরভূম জেলার প্রাক্তন বিজেপি নেতা অনিল সিং গাড়িটির ছবি ও রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্য ফেসবুকে পোস্ট করে লিখেছেন, “তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে অন‌্যদলের যেসব নেতা মাসোহারা নিচ্ছেন, তাঁদেরও শাস্তি হওয়া দরকার। যেমন বীরভূম জেলা বিজেপির সভাপতি তৃণমূলের এক ব্লক সভাপতির কাছ থেকে এই গাড়িটি ঘুষ হিসেবে নিয়েছেন। এই গাড়িটি আজও তৃণমূল নেতার নামে আছে। অথচ গাড়িটি বছরের পর বছর বিজেপির জেলা সভাপতি ব্যবহার করছেন। শুধু প্রতিশ্রুতি একটাই, যত মাসোহারা নেবে নাও, গাড়ি নাও– বিজেপির জেলা সভাপতি হিসাবে নামটা থাকতে হবে। আর তৃণমূলের হয়ে কাজ করতে হবে।”

অনিল সিং তাঁর পোস্টে আরও দাবি করেছেন, “গাড়িটির নম্বর-সহ ছবি এবং তার ডিটেলস যে কোনও পাবলিক নেটে চেক করে দেখুন যে আমার কথার মধ্যে সত্যতা আছে কি না।” তাঁর এই পোস্ট সম্পর্কে অনিলবাবুর বক্তব্য, “আমি বিজেপিকে বাঁচাতে, বিজেপির স্বার্থে এইধরনের পোস্ট করে যাচ্ছি। রাজ্য নেতৃত্বের নজরে আনলাম বিষয়টি।” প্রসঙ্গত, দু’দিন আগেই বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা বিস্ফোরক অভিযোগ করে দাবি করেছিলেন, দলের মধ্যে অনেকে তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। তৃণমূলের দেওয়া অর্থেই তাদের ঘর চলে। সবার নাম ফাঁস করে দেব। আর তারপরই এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য বঙ্গ বিজেপিতে। গাড়িটির নম্বর ডব্লুবি৫৪ভি২৮২৮। ২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন হয়েছিল। গাড়িটি যে তৃণমূল নেতা শুভ্রাংশু চৌধুরীর নামে রয়েছে মোটর ভেহিকেলস-এর তরফেও তা জানা গিয়েছে। তৃণমূল নেতার নামে থাকা গাড়ি বিজেপির জেলা সভাপতি চড়ছেন, এই বিষয়টি সামনে আসায় জোর শোরগোল পড়ে গিয়েছে গেরুয়া শিবিরে।

[আরও পড়ুন: রাজ্যে অনেকটা কমল করোনা সংক্রমণ, পুজোর আগে বুস্টার ডোজ দেওয়া শেষের লক্ষ্যমাত্রা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.