শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ: ফের বেফাঁস তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA)। এবার পুলিশকে মারধরের হুমকি দিয়ে বিতর্কে জড়ালেন চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান। মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।
বুধবার তৃণমূলের তরফে উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) ইসলামপুরের ভদ্রকালী এলাকায় তৃণমূলের তরফে একটি কর্মিসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে ছিলেন চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমান। একাধিক ইস্যুতে সেখান থেকে বিজেপিকে আক্রমণ করেন তিনি। এরপর নজিরবিহীনভাবে পুলিশকে আক্রমণ করেন বিধায়ক। তিনি বলেন, “ইসলামপুর থানার রামগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক পিন্টু বর্মন সমস্ত সন্ত্রাসের মূল। উনিই চোপড়াকে অশান্ত করছে। আমাদের ছেলেকে ধমক না দিয়ে ভিতরে ঢুকিয়ে দিচ্ছে। ওনার জন্য আমাদের ছেলেরা কার্যালয়ে যেতে পারছে না। চোপড়ায় আগুন জ্বলছে।”
[আরও পড়ুন: দুধের ছেলেকে নিয়ে পরপুরুষের সঙ্গে ঘর ছেড়েছিলেন, তিনমাস পর সেই বধূ ঘরে ফিরলেও ফিরল না শিশু]
এরপরই কর্মিসভায় বেফাঁস মন্তব্য করেন হামিদুর রহমান। হুমকি দিয়ে বলেন, “এখনই শুধরে যান, নাহলে থানায় বিক্ষোভ হবে। প্রয়োজনে পুলিশকে মারধর করা হবে।” বিধায়কের এই মন্তব্যেই তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। একজন বিধায়ক কীভাবে এহেন মন্তব্য করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতারা।
উল্লেখ্য, এহেন ঘটনা এই প্রথম নয়। আগেও বিভিন্ন সময়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন তৃণমূল নেতারা। তবে বরাবরই কড়া হাতে বিষয়টি সামলেছেন দলনেত্রী। কড়া পদক্ষেপও করেছেন।
[আরও পড়ুন: কার্বাইনের মতো আগ্নেয়াস্ত্র-সহ রিষড়া থেকে গ্রেপ্তার ২, চোখ কপালে তদন্তকারীদের]
সর্বশেষ খবর
-
ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিস খালি করার নোটিস দমকলের, আদালতের স্থগিতাদেশেও কাটছে না জট
-
নাচে-গানে হুল্লোড়! হাতি তাড়াতে মধ্যরাতে বসছে আসর, এক অন্য ছবি লালগড়ে
-
অত্যাধুনিক একে-২০৩ রাইফেলের গুলি সরবরাহ করবে আদানির সংস্থা, বিরাট চুক্তি সম্পন্ন
-
উথাল-পাথাল গঙ্গা, ভাসল ভূতনি দ্বীপের অন্তত ১৯টি গ্রাম, জলবন্দি প্রায় ২ লক্ষ মানুষ
-
দিমাগি নকশালের পর এবার ‘নারাজ ফুফা’, জিডিপি বিতর্ক উড়িয়ে বিরোধীদের তোপ মোদির