BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে তোলাবাজি! পুলিশকে বেধড়ক মার ব্যবসায়ীদের

Published by: Tanumoy Ghosal |    Posted: June 3, 2019 10:22 am|    Updated: June 3, 2019 1:30 pm

An Images

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে তোলাবাজি। টাকা না পেয়ে গাড়ি চালককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ কর্তব্যরত পুলিশকর্মী ও সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকদের পালটা মারধর করলেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। উদ্ধার হল তোলাবাজির টাকাও। উত্তেজনা ছড়াল দুর্গাপুরের বেনাচিতি বাজারে।

[আরও পড়ুন:সিভিক ভলান্টিয়ারের তোলাবাজি! দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু ঘিরে রণক্ষেত্র আসানসোল]

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার সকালে। ঘটনাস্থল দুই নম্বর জাতীয় সড়ক লাগোয়া দুর্গাপুরের ডিভিসি মোড়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিদিন ডিভিসি মোড়ে পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে টাকা আদায় করেন পুলিশকর্মীরা। গাড়ির চালকদের ১০ থেকে ১৫ টাকা করে দিতে হয়। সোমবার সকালে যথারীতি পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে টাকা আদায় করছিলেন নিউ টাউনশিপ থানার একজন পুলিশকর্মী, দু’জন সিভিক ভলান্টিয়ার, এমনকী পুলিশের গাড়ির চালকও। সকালে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না থেকে মাছ নিয়ে দুর্গাপুরের বেনাচিতি বাজারের দিকে যাচ্ছিল এক ট্রাক। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, বেশি টাকা চাওয়ায় ডিভিসি মোড়ে না দাঁড়িয়ে বেনাচিতি বাজারের দিকে চলে যান ওই ট্রাকের চালক। এরপর রীতিমতো ধাওয়া করে বেনাচিতি বাজারের কাছে ওই ট্রাকের চালককে ধরে ফেলেন পুলিশকর্মীরা। গাড়ি থেকে নামিয়ে শুরু হয় বেধড়ক মারধর। রুখে দাঁড়ান অন্যন্য পণ্যবাহী গাড়ির চালক ও ব্যবসায়ীর একাংশ। গাড়ি থেকে নামিয়ে নিউ টাউনশিপ থানার এক পুলিশকর্মী, দু’জন সিভিক ভলান্টিয়ার ও গাড়ির চালককে পালটা মারধর করেন তাঁরা। এদিকে মারধরের সময়ে অভিযুক্তদের পকেট থেকে তোলাবাজির টাকা রাস্তায় পড়ে যায়। আর তাতেই পরিস্থিতি আর ঘোরালো হয়ে ওঠে। পুলিশকর্মী, সিভিক ভলান্টিয়ারদের রাস্তায় বসিয়ে রেখে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বেনাচিতি বাজারের ব্যবসায়ীদের একাংশ।

খবর পেয়ে বেনাচিতি বাজারে পৌছায় দুর্গাপুর ইস্পাতনগরীর এ জোন ফাঁড়ির পুলিশ। কোনওমতে আক্রান্ত পুলিশকর্মী ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের উদ্ধার করা হয়। আহত গাড়ি চালককে ভরতি করা হয় দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

দেখুন ভিডিও:

ভিডিও সৌজন্যে: উদয়ন গুহরায়

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement