সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বয়স সত্তর ছাড়িয়েছে। হৃদযন্ত্রের সমস্যা এবং হাঁপানি রয়েছে। তার উপর শরীরে বাসা বেঁধেছে করোনার (Coronavirus) জীবাণু। সবমিলিয়ে, সংকটজনক অবস্থা এগরার তৃণমূল বিধায়ক সমরেশ দাসের। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। সূত্রের খবর, তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে, সর্বক্ষণ পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।
সপ্তাহখানেক আগে বিধায়ক সমরেশ দাসের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বয়সজনিত কারণে এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যা থাকায় তাঁকে পাঁশকুড়ার COVID হাসপাতালে ভরতি করানো হয়। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যে দ্রুত তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। পাঁশকুড়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা কলকাতায় স্থানান্তরিত করার পরামর্শ দেন। সম্প্রতিই তাঁকে কলকাতায় এনে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভরতি করানো হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, কো-মরবিডিটির কারণে করোনা আক্রান্ত বিধায়ক সমরেশ দাসের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হচ্ছে। আর সেটাই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে চিকিৎসকদের কাছে। বিধায়কের স্বাস্থ্যের খবর নিচ্ছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।
[আরও পড়ুন: উর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যেও স্বস্তি, রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে প্রায় ৬৫ শতাংশ]
এর আগে তৃণমূলের বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি করোনায় কাবু হয়েছেন। দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু প্রথম করোনা আক্রান্ত হন। হাসপাতালে চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হয়ে যান। পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ ও তাঁর ছেলের শরীরে থাবা বসিয়েছিল COVID-19. ফলতার বিধায়ক তমোনাশ ঘোষ প্রাণ হারিয়েছেন করোনায়। এছাড়া দক্ষিণ দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদের দুই বিধায়কের করোনা রিপোর্টও পজিটিভ। এঁরা সকলেই রয়েছেন হোম আইসোলেশনে। তবে এগরার বিধায়ক সমরেশ দাসের এই শারীরিক পরিস্থিতিতে উদ্বেগ বাড়ছে রাজ্যের শাসক শিবিরে। সমরেশবাবু এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তৃণমূলের সঙ্গে জড়িত। এলাকায় সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তাঁর অবস্থা সংকটজনক, এই খবরে চিন্তার ভাঁজ চওড়া হয়েছে সমরেশ দাসের বিধানসভা কেন্দ্রেও।
[আরও পড়ুন: লক্ষ্য বিধানসভা ভোট, পুরুলিয়ায় ব্লক সভাপতি পদে আর থাকবেন না বিধায়করা!]
সর্বশেষ খবর
-
ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিস খালি করার নোটিস দমকলের, আদালতের স্থগিতাদেশেও কাটছে না জট
-
নাচে-গানে হুল্লোড়! হাতি তাড়াতে মধ্যরাতে বসছে আসর, এক অন্য ছবি লালগড়ে
-
অত্যাধুনিক একে-২০৩ রাইফেলের গুলি সরবরাহ করবে আদানির সংস্থা, বিরাট চুক্তি সম্পন্ন
-
উথাল-পাথাল গঙ্গা, ভাসল ভূতনি দ্বীপের অন্তত ১৯টি গ্রাম, জলবন্দি প্রায় ২ লক্ষ মানুষ
-
দিমাগি নকশালের পর এবার ‘নারাজ ফুফা’, জিডিপি বিতর্ক উড়িয়ে বিরোধীদের তোপ মোদির