Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Coronavirus

ফের রাজ্যে দৈনিক করোনা আক্রান্ত ৪০০০ ছুঁইছুঁই, আশার আলো একমাত্র সুস্থতার হার

রাজ্যে করোনার আক্রমণ থেকে সুস্থতার হার ৮৮ শতাংশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০২০, ২০:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০২০, ২০:৩৫

options
link
ফের রাজ্যে দৈনিক করোনা আক্রান্ত ৪০০০ ছুঁইছুঁই, আশার আলো একমাত্র সুস্থতার হার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্গাপুজোর পর রাজ্যে করোনা (Coronavirus) সংক্রমণের গ্রাফ সামান্য নিম্নমুখী হলেও, দিন দুয়েকের মধ্যেই ফের তা চিন্তা বাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন রাজ্যের প্রায় ৪০০০ জন, মৃত্যু হয়েছে ৫৭ জনের। সুস্থতার হার বেড়েছে – ৮৮ শতাংশ। স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে সদ্য প্রকাশিত বুলেটিনে এমনই পরিসংখ্যান মিলছে।

দৈনিক সংক্রমণ, মৃত্যু দিন কয়েকের জন্য ক্ষণিক স্বস্তি দিয়েছিল বঙ্গবাসীকে। কিন্তু লক্ষ্মীপুজো কাটতে না কাটতেই ফের করোনা সংক্রমণের উচ্চ হারে চিন্তা বাড়ল। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যের ৩৯৯৩ জন করোনা পজিটিভ। এ নিয়ে সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার ৬৭১। নতুন করে ৫৭ জন করোনার বলি হওয়ায় মৃতের সংখ্যা ৬৮৪১। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪০৪৯ জন, যা আক্রান্তের তুলনায় কিছুটা বেশি। শতকরা হিসেবে যা ৮৮.৩। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: রেলকর্মীদের ট্রেনে উঠতে চেয়ে হাওড়ায় ফের বিক্ষোভ, আরপিএফের সঙ্গে হাতাহাতিতে ধুন্ধুমার]

জেলাওয়াড়ি পরিসংখ্যান বলছে, সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি কলকাতায়, ২২০৬ জন নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। এরপরই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। কিন্তু সেখানে সংক্রমণ কলকাতার তুলনায় অনেকটাই কমেছে। সেখানে ১৫৭৫ জনের শরীরে নতুন করে করোনা ভাইরাস মিলেছে। করোনাযুদ্ধে সবচেয়ে এগিয়ে দুই জেলা – ঝাড়গ্রাম ও পুরুলিয়া। এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা হাতে গোনা। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪ হাজার ১৫৫। এর মধ্যে ৮.২ শতাংশের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এ নিয়ে রাজ্যে মোট পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ লক্ষ ১২ হাজার ২৭০ জনের। এই পরীক্ষার হার আরও বাড়িয়ে আরও দ্রুত করোনা রোগী শনাক্তকরণই যুদ্ধের শক্তিশালী অস্ত্র হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

[আরও পড়ুন: কেন নভেম্বর মাসজুড়ে দার্জিলিংয়ে থাকবেন? কারণ ব্যাখ্যা করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.