Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Debraj Chakraborty

দেবরাজের ‘দুর্নীতি’র টাকা সরাসরি অভিষেকের সংস্থায়! তৃতীয় চার্জশিট বিস্ফোরক দাবি পুলিশের

সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, "সিন্ডিকেট ও তোলাবাজির টাকা একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হয়েছে।''

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ২০:২২

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ২০:২২

options
link
দেবরাজের ‘দুর্নীতি’র টাকা সরাসরি অভিষেকের সংস্থায়! তৃতীয় চার্জশিট বিস্ফোরক দাবি পুলিশের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

যুব তৃণমূলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’-এর অ্যাকাউন্টে সরাসরি ১০ কোটি টাকা! আজ, বুধবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ ধৃত তৃণমূলের প্রাক্তন যুবনেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর (Debraj Chakraborty) বিরুদ্ধে তৃতীয় চার্জশিট জমা দেয় আদালতে। তোলাবাজি ও সংগঠিত অপরাধের মামলায় এই চার্জশিট জমা পড়ে। আর সেখানেই এহেন বিস্ফোরক দাবি করেছে বাগুইআটি থানার পুলিশ। শুধু তাই নয়, আদালতে জমা দেওয়া দেড় হাজারের বেশি পাতার চার্জশিটে ব্যাংক স্টেটমেন্ট-সহ একাধিক নথি ও ইলেকট্রনিক তথ্যপ্রমাণ রয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।

বিশেষ সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সিন্ডিকেট ও তোলাবাজির টাকা একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে সম্পত্তি সরানোর অভিযোগও রয়েছে। সেই আর্থিক লেনদেনের গভীরে পৌঁছতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার নির্দিষ্ট ধারায় তদন্তের পরিধি খোলা রাখার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।”

সূত্রের খবর, দেবরাজের বিরুদ্ধে তদন্তে ইতিমধ্যে একাধিক তথ্য সামনে এসেছে। তদন্তকারীদের দাবি, বাগুইআটি ও কেষ্টপুর থেকে বিভিন্ন সময়ে টাকা আসত। এবং তা জমা পড়ত রাজ্য যুব তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে! সেই টাকা থেকেই পরে ১০ কোটি টাকা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’-এর অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয় বলে দাবি রাজ্য পুলিশের। শুধু তাই নয়, ওই অ্যাকাউন্টের অনুমোদিত স্বাক্ষরকারী ছিলেন দেবরাজ। ফলে লেনদেনের নথির ভিত্তিতে টাকা স্থানান্তরে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রের খবর। শুধু তাই নয়, এই লেনদেনের সূত্র ধরেই আর্থিক অনিয়মের আরও বড় ছবি তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি পুলিশের। নথি ও সম্পত্তির হিসাব মিলিয়ে দুর্নীতির অঙ্ক প্রায় ১০০ কোটি টাকা বলে তদন্তকারীদের অভিযোগ। নির্বাচনের আগে সম্পত্তি সরিয়ে ফেলার অভিযোগও রয়েছে তদন্তের আওতায়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই অভিযোগগুলির সূত্রেই তোলাবাজি, প্রমোটারদের হুমকি, প্রতারণা এবং জোর করে জমি দখলের মতো একাধিক অভিযোগে বিধাননগর পুরনিগমের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ সদস্য দেবরাজকে গ্রেপ্তার করেছিল বাগুইআটি থানার পুলিশ। মামলাটি এখন বারাসত আদালতে চলছে। এর আগে দেবরাজের বিরুদ্ধে ধাপে ধাপে দু’টি চার্জশিট জমা পড়েছিল। বুধবার সেই তদন্তেই যোগ হল তৃতীয় চার্জশিট। একই মামলায় দেবরাজের স্ত্রী অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এনিয়ে বিশেষ সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সিন্ডিকেট ও তোলাবাজির টাকা একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে সম্পত্তি সরানোর অভিযোগও রয়েছে। সেই আর্থিক লেনদেনের গভীরে পৌঁছতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার নির্দিষ্ট ধারায় তদন্তের পরিধি খোলা রাখার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.