Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
করোনা রোগীদের বিক্ষোভ

জল নেই COVID হাসপাতালে, জলপাইগুড়িতে তুমুল বিক্ষোভ করোনা রোগীদের

ওয়ার্ড থেকে বেরিয়ে গেটের কাছে বিক্ষোভ দেখালেন আক্রান্তরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২০, ০৯:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২০, ০৯:১৭

options
link
জল নেই COVID হাসপাতালে, জলপাইগুড়িতে তুমুল বিক্ষোভ করোনা রোগীদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: COVID হাসপাতাল, পাশেই কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। করোনার (Coronavirus) মতো সংক্রামক ব্যধির চিকিৎসা চলছে। পৃথক করে রাখা হচ্ছে আক্রান্তদের। অথচ সেই কোভিড হাসপাতাল চত্বরে জলই নেই! এমনই অভিযোগে শুক্রবার রাতের দিকে রোগী বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয় উঠল জলপাইগুড়ির সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার এবং হাসপাতাল। স্বাস্থ্যবিধি শিকেয় তুলে ওয়ার্ড থেকে রোগীরা বেরিয়ে এলেন গেটের কাছে। জল না থাকায় অসুবিধার কথা জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে স্থানীয় থানার ওসিকে ঘটনাস্থলে ছুটে যেতে হয়। উত্তেজিত রোগীদের বুঝিয়ে পাঠানো হয় ওয়ার্ডে। এই ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জলপাইগুড়ি কোভিড হাসপাতালে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই হাসপাতালের পাম্প খারাপ হয়ে গিয়েছিল শুক্রবার। কিন্তু দিনভর পাম্প সারাই করা যায়নি। ফলে যেটুকু জল ছিল, তা দিনভর ব্যবহারের ফলে শেষ হয়ে যায়। সন্ধের পর থেকে আর এক ফোঁটাও জল পাননি রোগীরা। তা নিয়ে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ করার পরও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে কিছু জানানো হয়নি বা কোনও আশ্বাস দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রোগীদের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভিডিও কলে কথা হোক রোগী ও আত্মীয়দের, করোনা চিকিৎসায় নয়া নির্দেশিকা রাজ্যের]

এরপরই রোগীদের মধ্যে বিক্ষোভ দানা বাঁধতে থাকে। জল না থাকায় হাজারও অসুবিধার মধ্যে পড়েন তাঁরা। সন্ধের পর নিজেদের ওয়ার্ড থেকে বেরিয়ে সোজা করোনা আক্রান্তরা হাসপাতালের গেটের কাছে চলে যান। তাঁদের দেখে নিরাপত্তারক্ষী সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালের মূল গেটটি বন্ধ করে দেন। সে কারণেই কেউ হাসপাতালের বাইরে বেরতে পারেননি। সেখানে জমায়েত হয়েই তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। খবর পৌঁছয় কোতোয়ালি টাউন থানায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ছুটে যান টাউন থানার ওসি এবং অন্যান্য পুলিশকর্মীরা। ওসি নিজের রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। জেলাশাসকও হস্তক্ষেপ করেন। সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন তাঁরা। এরপর শান্ত হন রোগীরা। ফিরে যান নিজেদের ওয়ার্ডে। জেলাশাসক জানিয়েছেন, সমস্যা মিটেছে। আপাতত সব ঠিক আছে।

[আরও পড়ুন: বাংলার ‘সেফ হোম’ গোটা দেশের মডেল হোক, মত ICMR কর্তার]

এর আগেও একবার জলপাইগুড়ির সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে অব্যবস্থার অভিযোগে বিক্ষোভে গর্জে উঠেছিলেন রোগীরা। সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি ঘটল শুক্রবার রাতে। ফের সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে উঠে গেল প্রশ্ন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.