Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
CPM

দুর্গাপুজোয় লক্ষ্মীলাভ, কালীপুজোতেও বুকস্টল সিপিএমের!

চলতি বছরে দুর্গাপুজোয় শুধু পূর্ব মেদিনীপুরের স্টলে বিক্রি হয়েছে ৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকার বই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০২৫, ১৩:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০২৫, ১৩:২৭

options
link
দুর্গাপুজোয় লক্ষ্মীলাভ, কালীপুজোতেও বুকস্টল সিপিএমের! zoom

চঞ্চল প্রধান, হলদিয়া: এবার পুজোয় বই বিক্রির সুবাদে রেকর্ড পরিমাণ লক্ষ্মীলাভ ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সিপিএমের। আর সেই সাফল্যের সুবাদে কালীপুজোতেও বিভিন্ন প্রান্তে দলের তরফে বুকস্টল খোলা হচ্ছে। জেলার সুতাহাটা, তমলুক এবং কাঁথিতে বিগ বাজেটের কালীপুজো হয়ে থাকে। স্টল দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ করে এই জায়গাগুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এবার দুর্গাপুজোয় সিপিএমের বুক স্টলে বিক্রির নিরিখে লাভ যথেষ্ট ভালো, যা গত বছরের অঙ্ক ছাড়িয়ে গিয়েছে।

গত বছর ৬ লাখ টাকার বই বিক্রি হয়েছিল। এবার বিক্রি হয়েছে ৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকার বই। গত বছরের তুলনায় ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকার বই বেশি বিক্রি হয়েছে। এবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলাজুড়ে বিভিন্ন দুর্গাপুজো প্যান্ডেল, পুজোমণ্ডপ সংলগ্ন মেলায় ৭২টি মার্কসীয় বুক স্টল বসেছিল। গত এবার ৭টি স্টল বেশি। স্টলগুলিতে সিপিএম কর্মী, সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও আনাগোনা ছিল যথেষ্ট। প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের লেখা ‘ফিরে দেখা’, বর্তমান সিপিএম নেতা সৃজন ভট্টাচার্যের লেখা ‘জাগরণের নাম তিলোত্তমা’, সিপিএমের রাজ্য কমিটি বছরের তুলনায় সম্পাদিত বই ‘মেয়েদের লড়াই’ কেনার ক্ষেত্রে পাঠকের আগ্রহ দেখা গিয়েছে। বামপন্থী ঘরানার বহু বই ‘কমিউনিস্ট পার্টি কি ও কেন’, ‘লেলিনের রাষ্ট্র বিপ্লব’, ধর্ম ও সাম্প্রদায়িকতা’, ‘নয়া ফ্যাসিবাদের রূপ’ ইত্যাদি বই যথেষ্ট বিক্রি হয়েছে। সেই সঙ্গে দলের মুখপত্র গণশক্তি, দেশহিতৈষী, নন্দন ইত্যাদির শারদ সংখ্যা। পাশাপাশি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী, সুকুমার রায়-সহ বহু কবি সাহিত্যিকের লেখা নানা বই ছিল। ছিল ছোটদের মন টানতে ছবি আঁকা, কার্টুন, ছড়া, কমিক্সের বইও। বিক্রির পরিসংখ্যানে জানা গিয়েছে, হলদিয়াতে বই বেশি বিক্রি হয়েছিল। এবার উলটো চিত্র।

Advertisement

বই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে কাঁথিতে। তবে পুজোর স্টলগুলির পাশাপাশি নিমতৌড়িতে অবস্থিত জেলা পার্টি অফিসের এই বই বিক্রির হিড়িক ছিল এবার। জেলা পার্টি অফিসে ন্যাশনাল বুক এজেন্সির স্টল ছিল। প্রতিটি বই ৩০ শতাংশ ছাড় দিয়ে বিক্রি করা হয়েছে। এখানে পুজোয় চতুর্থী থেকে সপ্তমী চার দিনে ১ লাখ ৩৭হাজার টাকার বই বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে, ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত ৫ দিনে জেলার ৭২টি স্টলে ৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা মূল্যের বই বিক্রি হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সিপিএমের সম্পাদক নিরঞ্জন সিহি জানিয়েছেন, “মানুষের মধ্যে সঠিক পথ নির্বাচনের ইচ্ছে থাকেই। অনেক ভেবেচিন্তে তাঁরা নিজের সিদ্ধান্তকে সঠিক পথে চালানোর কাজে পা বাড়ান। বিশেষ করে যুক্তিবাদী শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ এই কাজটি করে থাকেন। পুজো ঘিরে নানা আয়োজন, উন্মাদনা থাকলেও মানুষ সে কারণে আমাদের বুক স্টলে ভিড় করেছেন। নিজেদের মেধায় শান দেওয়ার জন্য আনন্দের মধ্যেও ভবিষ্যতের পথ বাতলে নেওয়ার রসদ জোগাড় করতে ভুলে যাননি। দুর্গাপুজোর সাফল্যের নিরিখে আমরা কালীপুজোতেও এবার প্রথম বুক স্টল দিতে চলেছি।” ডিসেম্বর মাসে ব্লকভিত্তিক ভ্রাম্যমাণ বই বিক্রির কেন্দ্র খোলা হচ্ছে। জেলার ২৫টি ব্লকজুড়ে এই ভ্রাম্যমাণ বুক স্টল মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.