Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
কাটমানি বিক্ষোভ

কাটমানি ফেরত চাই, দাবিতে বনগাঁ শহরজুড়ে মিছিল ই-রিকশাচালকদের

নেতাদের বিরুদ্ধে কাটমানির যথাযথ তদন্ত চাই, এসপিদের নির্দেশ এডিজি,আইনশৃঙ্খলার৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০১৯, ২১:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০১৯, ২১:১৮

options
link
কাটমানি ফেরত চাই, দাবিতে বনগাঁ শহরজুড়ে মিছিল ই-রিকশাচালকদের zoom

নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ: জেলায় জেলায় ক্রমবর্ধমান ‘কাটমানি’ বিক্ষোভ এবার পুলিশ প্রশাসনেরও মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ তাই এবার বড়সড় পদক্ষেপ নিলেন রাজ্য পুলিশের এডিজি,আইনশৃঙ্খলা জ্ঞানবন্ত সিং৷ তিনি প্রতি জেলার পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দিয়েছেন, যেখানে যে নেতার বিরুদ্ধে যা অভিযোগ আছে, তা গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখতে হবে এবং আইন মেনেই যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে৷ এনিয়ে একেবারে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন এডিজি,আইনশৃঙ্খলা৷

[আরও পড়ুন: ধস নামিয়ে রাজ্যে প্রথম জেলা পরিষদ দখল বিজেপির, গেরুয়াময় দক্ষিণ দিনাজপুর]

অন্যদিকে, এদিনও কাটমানি ফেরতের দাবিতে পথে নামলেন বনগাঁর ই-রিকশাচালকরা৷ সোমবার শহরের ত্রিকোণ পার্ক থেকে মিছিল শুরু করে গোটা শহর ঘুরে পুলিশ সুপারের অফিসে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দেন তাঁরা৷ তাঁদের অভিযোগ, ভয় দেখিয়ে, জোর করে দীর্ঘদিন ধরে ই-রিকশা চালকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা তোলা হয়েছে এবং ওই টাকা তছরুপ করেছেন তৃণমূল শ্রমিক সংগঠন অনুমোদিত বনগাঁ মতিগঞ্জ নিমতলা ই-রিকশা ইউনিয়নের কয়েকজন কর্মকর্তা। মিছিল থেকে ই-রিকশা চালকরা স্লোগান তোলেন পুরপ্রধান শংকর আঢ্যর বিরুদ্ধে৷ তাঁরা দাবি করেন, ‘জবাব দিতেই হবে পুরপ্রধানকে৷’

Advertisement

ই-রিকশা চালকদের বক্তব্য, দৈনিক মাথাপিছু কুড়ি টাকা করে ইউনিয়নে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। কেউ অসুস্থতা বা অন্য কোনও কারণে গাড়ি না চালাতে পারলেও ওই টাকাটা জোর করে জমা নেওয়া হতো। বিভিন্ন সময় শাসকদলের সভা মিটিংয়ে তাঁদের জোর করে নিয়ে যাওয়া হত। চালক অভিজিতের কথায়, ‘পুরনো ই-রিকশা কিনতে হলে ইউনিয়নের মাধ্যমে কিনতে হত। এক্ষেত্রে যিনি কিনতেন তাঁকে ২৫ হাজার টাকা ইউনিয়নকে কাটমানি দিতে হত। আমাকেও দিতে হয়েছে।’ চালকদের আরও দাবি, নিজের গাড়ি বিক্রির জন্যেও ইউনিয়নের দ্বারস্থ হতে হত। আর ইউনিয়ন সেই গাড়ি অনেক বেশি টাকায় বিক্রি করে মুনাফা লাভ করত বলেও অভিযোগ৷ চালকরা বলছেন,‘ইউনিয়নের টাকায় অনেকেই ফুলেফেঁপে উঠেছেন।  আমরা চাই, আমাদের টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হোক৷ 

[আরও পড়ুন:সরকারি অনুষ্ঠানে হাজির সন্দেশখালি কাণ্ডে ‘ফেরার’ অভিযুক্ত বাবু মাস্টার়]

বনগাঁ শহরে এখন ৫০০টির বেশি ই-রিকশা চলছে। চালকরা বেশিরভাগই গরিব মানুষ৷ গাড়ি না চালিয়ে কুড়ি টাকা দেওয়া তাঁদের কাছে কষ্টসাধ্য৷ ভোটের পর থেকে অবশ্য তারা ঐ টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন ।নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আর কোন অবস্থাতেই  ইউনিয়ন এ টাকা জমা করবেন না। তৃণমূলের দাবি বিজেপির মদতে এরা আগে কোনো অভিযোগ না করে এখন অভিযোগ করছে৷ এ বিষয়ে পৌর পিতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিজেপি নেতা দেবদাস মন্ডল বলেন “ই রিক্সা চালকদের ইউনিয়নের লোকজন  চালক দের আর্থিকভাবে শোষণ করেছেন  এতদিন। এবার তারা নিজেরাই ওই টাকা ফেরতের দাবিতে আন্দোলন করছেন। বিজেপির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.