Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Jalpaiguri

প্যান্ডেলের বাঁশেও ডেঙ্গুর লার্ভা! পুজো কমিটিগুলিকে ‘সাবধান’ করল জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর

প্যান্ডেলের বাঁশের মাথার জমা জলে জন্ম নিতে পারে ডেঙ্গু বাহক এডিস মশা। ডেঙ্গু রোগের বাড়বাড়ন্ত রুখতে এবার পুজোর আগে পুজো কমিটিগুলোকে ডেকে সতর্ক করতে চলেছে জলপাইগুড়ি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর।

শান্তনু কর
শান্তনু কর

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ১৫:১৮

link
শান্তনু কর
শান্তনু কর

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ১৫:১৮

options
link
প্যান্ডেলের বাঁশেও ডেঙ্গুর লার্ভা! পুজো কমিটিগুলিকে ‘সাবধান’ করল জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর zoom
AI দ্বারা নির্মিত ছবি।
Advertisement

বাঁশেও বিপদ! প্যান্ডেলের বাঁশের মাথার জমা জলে জন্ম নিতে পারে ডেঙ্গু বাহক এডিস মশা। ডেঙ্গু রোগের বাড়বাড়ন্ত রুখতে এবার পুজোর আগে পুজো কমিটিগুলোকে ডেকে সতর্ক করতে চলেছে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। জলপাইগুড়ি জেলায় এই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ২৪২। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের গ্রাফ। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা জুড়ে কর্মসূচি চলছে। সামনেই পুজো। চারপাশে বাঁশ পুঁতে শুরু হয়েছে প্যান্ডেল তৈরির তোরজোড়। তাতেই বিপদ দেখছে স্বাস্থ্য দপ্তর। আগামী সপ্তাহে জেলার পুজো কমিটিদের নিয়ে বৈঠক করবেন মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ অসীম হালদার। মন্ডপগুলিতে বাঁশের মাথা বালি অথবা প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে দেওয়ার পরামর্শের পাশাপাশি পুজো মন্ডপের চারপাশের আবর্জনা, চায়ের কাপ, ঘটের জল সহ পরিচ্ছন্নতার একাধিক বার্তা দিতে চলেছে স্বাস্থ্য দপ্তর।

২০২২ সালে জলপাইগুড়ি জেলায় মারাত্মক আকার নেয় ডেঙ্গু রোগ। ৩৯৫৬ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হন। মৃত্যু হয় চারজনের। ২০২৩ সালে ধারাবাহিক অভিযানে আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে স্বাস্থ্য দপ্তর। আক্রান্ত হয়েছিল ৯৯৩ জন। পরবর্তী দু’বছর আক্রান্তের সংখ্যা আরও কিছুটা কমে আসে। স্বাস্থ্য দপ্তরের ক্যালেন্ডারের হিসাবে জুন মাস থেকে অক্টোবর মাস মশাবাহীত রোগের মরশুম হিসেবে ধরা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবার বছরের শুরু থেকেই কর্মসূচি নেওয়া হয়। এদিকে মে মাস থেকেই ডেঙ্গু বাহক এডিস মশাদের দাপাদাপি শুরু হয়েছে জেলায়। বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ অসীম হালদার জানান, পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে না যায়, তারজন্য সব রকমের সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য কর্মীরা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। জ্বর হলেই দ্রুত রক্ত পরীক্ষা। আক্রান্ত দ্রুত হলেই চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জলপাইগুড়ি স্বাস্থ্য দপ্তরের পতঙ্গ বিশেষজ্ঞ রাহুল সরকার জানান, অল্প জল পেলেই ডেঙ্গু মশা বংশবিস্তার করে। বাঁশের কাটা অংশ এক্ষেত্রে বিপজ্জনক। সেখানে জমা জল মশাদের যাতে আঁতুর ঘরে পরিণত না হয়, তার জন্য বাঁশের মুখ আটকে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ অসীম হালদার জানান, উৎসবের মরশুমে ডেঙ্গু রোগ যাতে আনন্দ মাটি করতে না পারে, তারজন্য সমস্ত রকমের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পুজো কমিটি গুলোকে বৈঠকে ডাকা হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে কী কী করণীয়, তাদেরও জানিয়ে দেওয়া হবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.