Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Dibyendu Adhikari

শান্তিকুঞ্জে ‘চায়ে পে চর্চা’? শুভেন্দুর বাড়িতে চায়ের আমন্ত্রণ অভিষেকের

'চায়ে পে চর্চা'য় জন্ম নেবে নয়া সমীকরণ? প্রশ্ন তুলছে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২২, ১৪:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২২, ১৪:৫৮

options
link
শান্তিকুঞ্জে ‘চায়ে পে চর্চা’? শুভেন্দুর বাড়িতে চায়ের আমন্ত্রণ অভিষেকের zoom

রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: শুক্রবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সাক্ষাৎ নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখল অধিকারী পরিবার! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেন্দুর সাক্ষাতের পরই এই আমন্ত্রণ রাজনৈতিক ‘হাওয়া বদলে’র সংকেতও যেন ক্রমে প্রকট করে দিচ্ছে।

আসলে আগামী ৩ ডিসেম্বর পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে সভা করতে আসছেন তৃণমুলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেই সভায় এলে তাঁকে চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানাবেন তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। তাঁর এই মন্তব্যের পর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে নতুন জল্পনা। তবে কি ‘চায়ে পে চর্চা’য় জন্ম নেবে নয়া সমীকরণ? প্রশ্ন তুলছে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আজ শীতলতম দিনের সাক্ষী কলকাতা, ডিসেম্বরের আগেই বাংলায় জাঁকিয়ে পড়বে শীত]

শুভেন্দু অধিকারী অর্থাৎ অধিকারী পরিবারের শান্তিকুঞ্জের একেবারে দোরগোড়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিশাল সমাবেশ রয়েছে। কাঁথি প্রভাত কুমার কলেজের মাঠে সভা করবেন অভিষেক। কিন্তু হঠাৎ কেন তাঁকে চায়ের আমন্ত্রণ? দিব্যেন্দুর (Dibyendu Adhikari) দাবি, একেবারে বাড়ির কাছে ১০০ মিটারের মধ্যে আসছেন অভিষেক। সেই কারণেই চা খেয়ে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানাবেন। তাঁর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শান্তিকুঞ্জে এলে খুব খুশিই হবেন বলে জানিয়েছেন দিব্যেন্দু।

এই আমন্ত্রণ নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক বলেন, “উনি আমন্ত্রণ জানাতেই পারেন। রাখবেন কি না, তা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি সৌজন্য দেখাচ্ছেন। তবে কতটা শালীনতা বজায় রেখে বলছেন এটা ভাবতে বলব। কারণ এখনও উনি নিজেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ বলে জাহির করেন। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও সভা মিটিং কর্মসূচিতে ওঁকে বিগত প্রায় দেড় বছর ধরে পাওয়া যায়নি। দলীয় হুইপও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় তিনি শোনেননি।”

[আরও পড়ুন: ভোট মিটতেই ফের জেলে রাম রহিম, নির্বাচনী রাজনীতির সঙ্গে ‘যোগ’ নিয়ে সরব বিরোধীরা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.