রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় ও সন্দীপ মজুমদার: আদালত শাসকদলকে থাপ্পড় মেরেছে, ২০১৯-এ মানুষই থাপ্পড় মেরে এই সরকারকে বসিয়ে দেবে৷ রথযাত্রা মামলায় হাই কোর্টের রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ এদিকে রথযাত্রা অনুমতি আদায়ের জন্য রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি৷ তাঁর প্রশ্ন, ‘বিজেপি বা এনডিএ সরকার যদি বিরোধীদের কর্মসূচিতে বাধা দিত, তাহলে বলা হত, দেশে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ চলছে৷ তাহলে এখন কেন বুদ্ধিজীবী ও মানবাধিকার কর্মীরা নীরব?’
[ শর্তসাপেক্ষে বিজেপিকে রথযাত্রার অনুমতি দিল হাই কোর্ট]
সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে, চলতি মাসের ১৪ তারিখই বিজেপির কর্মসূচি শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল৷ কিন্তু, এ রাজ্যের রথযাত্রা করার অনুমতি দেয়নি প্রশাসন, কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা৷ কিন্তু, তাতে জটিলতা আরও বাড়ে৷ কোচবিহারে যেদিন রথযাত্রার সূচনা হওয়ার কথা ছিল, তার আগের দিনই বিজেপি কর্মসূচিতে স্থগিতাদেশ জারি করে হাই কোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর সিঙ্গল বেঞ্চ৷পরে ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে বিজেপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব আলোচনায় বসেছিলেন ঠিকই৷ তবে সেই বৈঠকেও সমাধানসূত্র বেরোয়নি৷ শেষপর্যন্ত ফের রথযাত্রার অনুমতি চেয়ে হাই কোর্টের মামলা করে বিজেপি৷ সেই মামলায় বৃহস্পতিবার শর্তসাপেক্ষে রথযাত্রার অনুমতি দিল হাই কোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর সিঙ্গল বেঞ্চ৷ আর আদালতে রায় ঘোষণার পরই ফের শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ বৃহস্পতিবার যখন রথযাত্রা মামলায় রায় ঘোষণা করে কলকাতা হাই কোর্ট, তখন উলুবেড়িয়ায় দলের কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন তিনি৷ দিলীপ ঘোষ বলেন, পুলিশ-প্রশাসনের মতোই আদালতকেও নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিল তৃণমূল৷ হাই কোর্টকে ভুল বোঝানো হয়েছিল৷ কিন্তু রথযাত্রা মামলায় শাসকদলকে থাপ্পড় মেরেছে আদালত, ২০১৯-এ মানুষও এই সরকারকে থাপ্পড় মেরে বসিয়ে দেবে৷ এই জয় স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের জয়৷ টুইট করে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি৷
এ রাজ্যে রথযাত্রা নিয়ে আশঙ্কা অবশ্য পুরোপুরি কাটেনি গেরুয়া শিবিরের৷ বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে ক্যাভিয়েট দাখিল করল বঙ্গ বিজেপি৷ অর্থাৎ রাজ্য সরকার যদি ফের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করে, সেক্ষেত্রে বিজেপির বক্তব্য না শুনে রায় দিতে পারবে না আদালত৷
Congratulations to BJP, West Bengal for the High Court Judgement in their favour.
— Arun Jaitley (@arunjaitley) 20 December 2018
Why are Human Rights activists and opposition parties silent on denial of a right to a political party to organise its’ programme in West Bengal.
— Arun Jaitley (@arunjaitley) 20 December 2018
If any NDA/BJP Government had stopped an opposition Programme, it would have been called an “Undeclared Emergency”. Why Silence now?
— Arun Jaitley (@arunjaitley) 20 December 2018
[ শপথ নেওয়ার পরই দপ্তর বণ্টন, বড় দায়িত্ব পেলেন সুজিত-চন্দ্রিমা]
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার