বিশ্বকাপ ফুটবল শেষ। এতদিন ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নিয়ে মেতে থাকা ময়দানে সুর চড়ছে ডার্বির (Kolkata Derby)। ইস্টবেঙ্গল আর মোহনবাগানও শুরু করে দিয়েছে বড় ম্যাচের চূড়ান্ত প্রস্তুতি। এতদিন ভারতীয় সহকারী কোচের অধীনে চলছিল অনুশীলন। মঙ্গলবার থেকে হেডস্যরের নজরদারিতে প্র্যাকটিস শুরু করে দিল দুই প্রধানই।
ইস্টবেঙ্গল আর মোহনবাগান- দুই শিবিরেই এবার কোচ বদল হয়েছে। লাল-হলুদে এসেছেন আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। মোহনবাগান, ইন্টার কাশী-সহ বিবিধ দলের কোচ হওয়ার সুবাদে কলকাতা তথা ভারতীয় ফুটবলকে হাতের তালুর মতো চেনেন এই আইএসএল জয়ী কোচ। সোমবার মধ্যরাতে শহরে এসেই এদিন বিকেলে দল নিয়ে নেমে পড়লেন হাবাস। নিউটাউনে ফেডারেশনের মাঠে ঘণ্টা দেড়েক চলল অনুশীলন। ইস্টবেঙ্গলের ভারতীয় স্কোয়াডের প্রায় পুরোটাই ইতিমধ্যে মাঠে নেমে পড়েছে। আনোয়ার আলি, জিকসন সিং, জয় গুপ্তা, ডেভিড, এডমুন্ড লালরিনডিকার মতো পুরনো মুখের পাশাপাশি এসেছেন বরিস সিং, দানিশ ফারুখের মতো ফুটবলাররা। সঙ্গে রিজার্ভ দল থেকে উঠে আসা পিভি বিষ্ণু, জেসিন টিকে, গৌরব সাউ।
আরও পড়ুন:
প্রথমদিন ফিটনেস ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি সিচুয়েশন এবং ট্রানজিশনের উপর বাড়তি জোর দিয়েছিলেন হাবাস। অনুশীলন শেষে মাঠ ছাড়ার সময় উপস্থিত সমর্থকরা দাবি তোলেন ডার্বি জেতানোর। যা শুনে হাবাসের বক্তব্য, “আমার হাতে মাত্র তিনটে প্র্যাকটিস সেশন রয়েছে আর। তারমধ্যে দলকে যতটা সম্ভব তৈরি করতে হবে। কঠিন কাজ।” তাঁর সঙ্গে এদিন সহকারী কোচ এবং ফিজিও যোগ দিয়েছেন লাল-হলুদ অনুশীলনে। বুধবার রাতে শহরে আসছেন মহম্মদ রশিদ।
মোহনবাগান আবার দীর্ঘদিনের স্প্যানিশ ঘরানা ছেড়ে এবার ভরসা রাখছে প্যানাজিওটিস ডিলমপেরিসের গ্রিক-মস্তিষ্কে। রবিবারই শহরে চলে এসেছিলেন তিনি, দেখতে গিয়েছিলেন কলকাতা লিগের ম্যাচও। এদিন বিকেলে যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে প্রথমে দলের সঙ্গে পরিচিত হন তিনি। এমনিতে গত দু’মরশুম পাঞ্জাব এফসি-র দায়িত্বে থাকা প্যানাজিওটিস ভারতীয় ফুটবলে নতুন মুখ নন। বরং কড়া হেডস্যর হিসেবেই পরিচিত তিনি। প্রথম দিনই পুরোদমে প্র্যাকটিস করালেন দলকে। লিগের ম্যাচে প্রথম একাদশে খেলা ফুটবলারদের ছাড় দিয়েছিলেন তিনি। বাকিদের নিয়ে প্রায় ৭৫ মিনিট রনডো, ট্রানজিশন, সিচুয়েশনের মতো বিষয়ে অনুশীলন চলে। শুভাশিস বসু, আপুইয়া, আশিস রাইয়ের পাশাপাশি তন্ময় ঘোষ, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, রবিলাল ম্যান্ডির মতো তরুণরাও উপস্থিত ছিলেন এদিন মোহনবাগান প্র্যাকটিসে। বুধবার সকালে সবুজ-মেরুনের নতুন বিদেশি ড্রেয়ান ড্যাজিচ শহরে পা রেখেছেন। তবে বাকি বিদেশিরা এখনও ভিসা পাননি।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার থেকে ডুরান্ডের (Durand Cup) টিকিট অনলাইনে বিক্রি শুরু হয়েছে। সবমিলিয়ে ৩০ হাজার টিকিট ছাড়া হয়েছে সাধারণ সমর্থকদের জন্য। যার অর্ধেক মিলবে অনলাইনে। ডার্বি ছাড়া অন্য ম্যাচে থাকছে ‘এম-টিকিট’। ফলে অনলাইনে কাটলে অফলাইনে আর টিকিট তুলতে হবে না সমর্থকদের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
গণেশ পুজোয় তুলসী অর্পণ করলে রুষ্ট হন দেবতা! নেপথ্যে কোন পুরাণ কাহিনি?
-
এবার নেতৃত্ব দেবেন সিরাজ, কোন দলের অধিনায়ক হলেন টিম ইন্ডিয়ার পেসার?
-
আইনি জটেও ভাটা নেই জৌলুসে, বাগবাজারে জোরকদমে শুরু দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি
-
ব্রিকসের মধ্যাহ্নে মহাভোজের আয়োজন! নিরামিষ ভারতীয় পদে বিশ্বনেতাদের রসনাতৃপ্তি
-
অস্ত্র উদ্ধারে গোয়েন্দাদের রাডারে মাও শীর্ষনেতা আকাশ! নজরে বাঁকুড়া-পুরুলিয়া হয়ে ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলপথও