Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
দিলীপ ঘোষ

‘কেন্দ্রের বিরোধিতাও করবে আবার টাকাও চাইবে’, রাজ্যকে ‘ভিখারি’ বলে কটাক্ষ দিলীপের

রাজ্যে লকডাউনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২০, ১৮:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২০, ১৮:৪২

options
link
‘কেন্দ্রের বিরোধিতাও করবে আবার টাকাও চাইবে’, রাজ্যকে ‘ভিখারি’ বলে কটাক্ষ দিলীপের zoom

ধীমান রায় ও ভাস্কর মুখোপাধ্যায়: ফের নজিরবিহীন ভাষায় রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কেন্দ্রের নয়া শিক্ষানীতির বিরোধিতা প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারকে বিঁধে তাঁর মন্তব্য, ”ওরা সব কিছুতেই বিরোধিতা করে। কিন্তু জিএসটি’র (GST) টাকাটা চাই। কিছু একটা হলেই টাকা চাই, টাকা চাই, ভিখারির মত করে এরা।” বুধবার সকালে বোলপুরে ‘চায়ে পে চর্চা’য় একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য কমিটিতে স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্যের পদ পাওয়া শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিয়েও।

এদিন বোলপুরে প্রাতঃভ্রমনে বেড়িয়ে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। বোলপুরের বাঁধগোড়ার যে চায়ের দোকানে ‘চায়ে পে চর্চা’ হওয়ার কথা ছিল, সেই দোকানে এসে দেখেন, দোকান বন্ধ। এরপর পাশের একটি দোকানে বসে সকলের সঙ্গে জনসংযোগ করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, তিনি যেখানেই ‘চায়ে পে চর্চা’ করতে যান, সেখানেই চায়ের দোকান ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। হাওড়া থেকে ইকো পার্ক, গলফ ক্লাব সর্বত্র তাই হয়েছে বলেই অভিযোগ। এরপর তিনি রাজ্যের বিরুদ্ধে তোপ দেগে আরও বলেন, ”কেন্দ্রের ট্রেন, বিমান ঢুকতে দেবে না। কিন্তু চাল, ডাল নেবে। কারণ, ওটা লুট করতে সুবিধা হয়।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: পরকীয়ায় বাধা দেওয়ার ‘শাস্তি’, স্ত্রীকে গুলি করে খুনের চেষ্টা স্বামীর]

কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় (Sovan Chatterjee) বিজেপি রাজ্য কমিটির স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য হওয়া নিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, ”শোভনদা পুরো কাজের মধ্যে থাকুন। তাঁর অভিজ্ঞতাটা কাজে লাগিয়ে পার্টি লাভবান হোক। সেই জন্য তাঁকে আমরা আহ্বান করেছি। উনি যে ধরনের কাজ করতে চাইবেন, সেই ধরনের কাজই আমরা ওনাকে দিয়ে করাব।”

[আরও পড়ুন: করোনা কালে লক্ষ্মীলাভ! ছ’কোটিরও বেশি দরে কাটোয়া-বল্লভপাড়া ফেরিঘাটের ইজারা নিলেন ব্যবসায়ী]

অন্যদিকে, বুধবার পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রামে সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে রাজ্য সরকারের সম্পূর্ণ লকডাউনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর মন্তব্য, “করোনা আটকাতে নয়,  বিজেপিকে আটকানোর জন্য লকডাউন করা হচ্ছে৷ ভাবে লকডাউন করে কোনও লাভ হচ্ছে না। বরং সাধারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে। পরীক্ষার আগের দিন লকডাউন করার কী মানে হয়? এটা অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত।” 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.