Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
পড়ুয়াদের মাস্ক-স্যানিটাইজার

মিড-ডে মিলের সঙ্গে মিলবে মাস্ক-স্যানিটাইজারও, সিদ্ধান্ত পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের

৩১ জুলাইয়ের পর স্কুল খুললে মাস্ক দেওয়া হবে পড়ুয়াদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২০, ১১:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২০, ১১:৫৬

options
link
মিড-ডে মিলের সঙ্গে মিলবে মাস্ক-স্যানিটাইজারও, সিদ্ধান্ত পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের zoom

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: দেশ আনলক ২ (Unlock 2) পর্যায়ে পা রাখলেও, করোনা সংক্রমণের হার খুব স্বস্তিজনক নয়। ফলে বাড়তি সতর্কতা নিতেই হচ্ছে আমজনতা থেকে শুরু করে প্রশাসনকে। এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এবার স্কুল পড়ুয়াদের মিড-ডে মিলের সঙ্গে দেওয়া হবে মাস্ক ও স্যানিটাইজার। এর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। মঙ্গলবারই জেলাশাসক বিজয় ভারতী এই ঘোষণা করেছেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাক প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের প্রত্যেককে ৫০ মিলিলিটার করে স্যানিটাইজার (Sanitizer) দেওয়া হবে। এই স্তরে জেলায় পড়ুয়ার সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫৫ হাজার ৯২১ জন। প্রতি মাসে এককালীন মিড-ডে মিলের রেশন দেওয়ার সময়ই অভিভাবকদের হাতে তা তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর জন্য খরচ হবে ১ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: এখনই নিলাম নয় ইসিএলের কয়লা ব্লকের, শ্রমিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান কর্তৃপক্ষের]

পাশাপাশি জেলার সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল, মাদ্রাসা, এমএসকে, এসএসকে-সহ উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের পড়ুয়াদের দু’টি করে মাস্ক (Mask) দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, করোনা আবহে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পরই তা পড়ুয়াদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে। জেলায় প্রায় ৬ লক্ষ পড়ুয়াকে মাস্ক বিতরণ করা হবে। এর জন্য খরচ হবে ১ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা।

[আরও পড়ুন: দীর্ঘদিন পর খুলে গেল দিঘার আন্তর্জাতিক মাছ বাজার, ইলিশের খোঁজে পাড়ি মৎস্যজীবীদের]

জেলাশাসক বিজয় ভারতী জানিয়েছেন, স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের তৈরি মাস্ক তুলে দেওয়া হবে স্কুল পড়ুয়াদের হাতে। এর দুটি ভাল দিক আছে। প্রথমত, স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীগুলির কাজের সুযোগ বাড়বে। দ্বিতীয়ত, স্কুলপড়ুয়ারা বিনামূল্যে মাস্ক পেলে তা ব্যবহারের তাগিদ অনুভব করবে। এমনিতেই এবার থেকে বাড়ির বাইরে মাস্ক ব্যবহার দৈনন্দিন জীবনের অভ্য়েসেই পরিণত হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.