মনিরুল ইসলাম, উলুবেড়িয়া: শুধু আলো দেওয়াই নেয়। জ্বললেই সুগন্ধে ভরবে গোটা ঘর। দীপাবলির আগে বাজার কাঁপাচ্ছে সুগন্ধী প্রদীপ। চাহিদামতো জোগান দিতে ব্যস্ত হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের মাজু এলাকার বাসিন্দারা।
বিশেষ ধরনের এই প্রদীপ এবং মোমবাতি তৈরি করছেন ভূমিপুত্র দিল্লি আইআইটির ইঞ্জিনিয়ার সনবিদ গোলুই। পেশায় তিনি প্রোডাক্ট ডিজাইনার। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। মাটির টানে জগৎবল্লভপুরের মাটিতে ফিরে আসেন। প্রযুক্তির সঙ্গে হস্তশিল্পকে মিশিয়ে অনন্য এই শিল্পকলা তৈরি করছেন। বাড়ির মহিলাদের প্রশিক্ষণের বন্দোবস্ত করেন। কৌশল শেখার পর চলছে সুগন্ধী প্রদীপ, মোমবাতি তৈরির কাজ। তা তারা বাজারে বিক্রিও করেন। মাটির প্রদীপ অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। এলইডি আলোর যুগেও সুগন্ধী প্রদীপ, মোমবাতির চাহিদা তুঙ্গে। দীপাবলির আবহে হু হু করে বাড়ছে লক্ষ্মীলাভ।
[আরও পড়ুন: ইডেনে টিকিটের কালোবাজারি, এবার সরাসরি BCCI সভাপতি রজার বিনিকে নোটিস পুলিশের]
সনবিদবাবু বলেন, “শিল্পকে প্রযুক্তির সাহায্যে আধুনিকতম রূপ দিয়ে বাজারজাত করা যায় এবং গ্রামের শিল্পী এবং সাধারন মানুষদের কর্মসংস্থান করা যায় সেই লক্ষ্য নিয়েই আমার এই উদ্যোগ। বর্তমানে কমপক্ষে ১৫০ মানুষ স্বচ্ছল হয়েছেন। গ্রামের পাশাপাশি শহরেও ক্রমশ বাড়ছে সুগন্ধী মোমবাতি, প্রদীপের চাহিদা।” মাজুর বাসিন্দা সমাজসেবী সৌরভ দত্ত বলেন, “সত্যিই মাজু এলাকায় অভূতপূর্ব ভালো কাজ হচ্ছে। দাদাকেও কৃতজ্ঞতা জানাই।”
দেখুন ভিডিও:
[আরও পড়ুন: জলপানের অছিলায় বাড়ি ঢুকে ‘মার’, খাস কলকাতায় বৃদ্ধার গয়নাগাটি কেড়ে নিল যুবক]
সর্বশেষ খবর
-
ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে মাটি, আতঙ্কের গ্রাসে দার্জিলিং-সহ উত্তর
-
টাকি পুরসভার ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ, জোর জল্পনা
-
অরূপ-স্বরূপের ‘রহস্যময় ঘরে’ তল্লাশি পুলিশের, উদ্ধার মোবাইল-আইপ্যাড, প্রচুর নথি!
-
কুলটিতে ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’, মন্ত্রীর জনতার দরবারে ৫ বছরের সমস্যার সমাধান ২৪ ঘণ্টায়!
-
আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুমে কন্ডোম, নেশার সামগ্রী! শোরগোল শিক্ষাঙ্গনে