BREAKING NEWS

১২ মাঘ  ১৪২৮  বুধবার ২৬ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

সরকারি হাসপাতালে ফের নিগৃহীত চিকিৎসক, কাটোয়ায় গ্রেপ্তার ২

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: August 30, 2019 7:22 pm|    Updated: August 30, 2019 7:23 pm

Doctor heckled in Katwa hopsital by relatives of patient, 2 arretsed

ধীমান রায়, কাটোয়া: ফের সরকারি হাসপাতালে রোগীর আত্মীয়দের হাতে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিগ্রহের অভিযোগ। অভিযোগ দায়ের করা হলে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের ঘটনায় ফের এনিয়ে নিন্দার ঝড় চিকিৎসক মহলে।

[আরও পড়ুন: প্রতিশ্রুতি দিয়েও কাটমানি ফেরায়নি বুথ সভাপতি, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে পোস্টার আউশগ্রামে]

শুক্রবার সকাল ১১টা নাগাদ হাসপাতালের বহিবির্ভাগে রোগী দেখার সময় তাপস সরকার নামে এক সার্জেনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে গেলে হাসপাতালের কয়েকজন কর্মীকেও নিগ্রহ করা হয়। হাসপাতালের নিরাপত্তরক্ষীরা মহারাজা শেখ ও সাহিন শেখ নামে দুজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১১টা নাগাদ প্রতিদিনের মতই কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের বহিবির্ভাগে ভিড় ছিল। সার্জিক্যাল বিভাগে রোগী দেখছিলেন চিকিৎসক তাপস সরকার। তার পাশেই বহিবির্ভাগে রোগী দেখানোর জন্য টিকিট কাউন্টার। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ওই টিকিট কাউন্টারের ঘরে বিদ্যুতের মিটারটি খারাপ হওয়ায় বিদ্যুৎকর্মীরা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে মেরামতের কাজ করছিলেন। ওই কাজের জন্য
জেনারেটর চালানো হয়নি। তাই কম্পিউটার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয় এবং টিকিটও দেওয়া যাচ্ছিল না। এনিয়ে রোগীর আত্মীয়দের কয়েকজন ক্ষুব্ধ হয়ে কাউন্টারের কর্মীদের সঙ্গে বাদানুবাদ শুরু করেন।
এই সময়ে চিকিৎসক তাপস সরকার রোগী দেখা থামিয়ে উঠে গিয়ে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। হাতে লেখা টিকিট দেওয়ারও কথা বলেন। অভিযোগ, তখনই তাপসবাবুকে ঘিরে ধরে ধাক্কাধাক্কি শুরু করে কয়েকজন। তাঁকেই চড়-থাপ্পড় মারা হয়।
চিকিৎসককে বাঁচানোর জন্য মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীরাও ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবাদ করেন। অভিযোগ, তাঁদেরও নিগ্রহ করা হয়। এমন পরিস্থিতি দেখে এরপরেই কর্তব্যরত সিভিক ভলান্টিয়ার্স ও নিরাপত্তরক্ষীরা দুজনকে আটক করেন।

[আরও পড়ুন: সরকারি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড, প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ি রোগীদের]

জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত মহারাজা শেখের বাড়ি নদিয়ার কালীগঞ্জ এলাকায়। সাহিন শেখ কালনার হামিদপুরের বাসিন্দা। তাদের আটক করে নিয়ে যায় কাটোয়া থানার পুলিশ। কাটোয়া হাসপাতালের সুপার রতন শাসমল জানিয়েছেন, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মারধরের ঘটনায় তিনি দুঃখিত। যথাযত ব্যবস্থা নেবেন। তবে এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে দিল, চিকিৎসক নিগ্রহ আটকাতে মুখ্যমন্ত্রী যত বড় পদক্ষেপই নিন, রাজ্যের সর্বত্র তা খুব একটা কার্যকরী
হচ্ছে না।

ছবি: জয়ন্ত দাস।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে