Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
শতাব্দী

দলে থেকে বেইমানি করবেন না, কর্মিসভায় বার্তা শতাব্দীর

বীরভূমে তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায় জয়ী হলেও পিছিয়ে আছেন সাতটির মধ্যে চারটি বিধানসভায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০১৯, ১১:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০১৯, ১১:১৯

options
link
দলে থেকে বেইমানি করবেন না, কর্মিসভায় বার্তা শতাব্দীর zoom
Advertisement

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: “নীল সাইকেলে চড়ে বুথে গিয়ে আপনারা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন”। সাঁইথিয়া বিধানসভার কর্মীদের কৃতজ্ঞতা বৈঠকে কর্মীদের এমনভাবেই সত্যের মুখোমুখি করলেন সাংসদ শতাব্দী রায়। সিউড়ি কড়িধ্যা গ্রামে কর্মীদের বললেন, “আমি চারটি বিধানসভায় পিছিয়ে আছি। এই হারও আমারও। কিন্তু হার থেকেই আবার আমরা জয়ের মুখ দেখব। সেটাই আনন্দ”।

বীরভূম লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায় জয়ী হলেও পিছিয়ে আছেন সাতটির মধ্যে চারটি বিধানসভায়। তার মধ্যে সাঁইথিয়া ও সিউড়ি বিধানসভা। দুটি সভাতেই কর্মীদের কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন শতাব্দী। পরাজয়ের জন্য দলের একাংশ কর্মীদের বেইমান, মীরজাফর বলে তিরস্কৃত করেন শতাব্দী রায়। বলেন, ”আপনারা অন্যদলকে সমর্থন করতেই পারেন। কিন্তু দয়া করে দলে থেকে বেইমানি করবেন না। যারা অন্য দলে যাচ্ছেন তারা টাকার জন্য যাচ্ছেন। তাদের আরও চাওয়া পাওয়ার লোভ রয়েছে। দলে থেকে, মিছিলে যোগ দিয়ে, ফ্ল্যাগ নিয়ে দৌড়ে বেইমানি করবেন না। বেইমানদের ভগবানও ক্ষমা করে না। আপনি বা কেউ না থাকলেও দল টিকে থাকবে। আপনারা আমাকে ভোট না দিলেও আমি গতবারের থেকে বেশি ভোটে জিতেছি। এখানে যারা দু-চারজন উপস্থিত রয়েছেন তারা ভোট না দিলেও আমার কিছু এসে যায়নি। তাতেও জিতেছি। আগামিদিনেও জিতব।”

Advertisement

সিউড়িতে বলেন, ”ব্লক সভাপতি স্বর্ণময় সিং বলেছেন তিনি মীরজাফরদের চিহ্নিত করেছেন। আমি প্রশ্ন করি ভোটের আগে করেননি কেন। কেউ যদি অন্যদলে যান, সম্মানের সঙ্গে যান। পরে বুঝবেন গিয়ে কী হল। কিন্তু দলে থেকে বেইমানি করবেন না।” নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাসী শতাব্দী বলেন, ”ভগবান আমাকে অহংকারী করেননি। ৩০০ সিনেমার নায়িকা হিসাবে আমার যা পজিশন কোথাও আমি অহঙ্কার দেখাইনি। একটা পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে দেখা করা যায় না। কিন্তু আমার সঙ্গে দেখা করা যায়। একটা সিরিয়াল করা মেয়ে দেখবেন চারটে নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে ঘুরছে। কিন্তু আমি সেই ইচ্ছে দেখাইনি”।

তবে দুটি জায়গাতেই তিনি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরনো কর্মীদের ফের সসম্মানে দলে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিয়েছেন। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা রাখুন। সবাইকে নিয়ে চলুন। যারা আমার মিটিংয়ে এসেছিল, সেই লোকগুলি ভোট দিলেই তো ব্যবধান অনেক হত। তাহলে আপনি পাশের লোককে চিনতে পারেননি। যারা দলের বেইমান, মীরজাফর তাদের চিহ্নিত করুন। অনুব্রত মণ্ডল, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, বিকাশ রায়চৌধুরি, চন্দ্রনাথ সিং-সহ জেলার সকলেই আমরা আপনাদের পাশে আছি। আবার আমাদের জয় হবেই।’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.