Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাঝরাতে বাড়িতে ঢুকে পড়ল ডাম্পার, প্রাণ গেল একই পরিবারের ৪ জনের

মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটল আসানসোলে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০১৮, ১০:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০১৮, ১০:৪৩

options
link
মাঝরাতে বাড়িতে ঢুকে পড়ল ডাম্পার, প্রাণ গেল একই পরিবারের ৪ জনের zoom
Advertisement

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: গভীর রাতে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ গেল এক পরিবারের চারজনের। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের আমরাসোতা সুজিমিল এলাকায়। ঘাতক ডাম্পারের চালক পলাতক। খালাসি ও গাড়িটিকে আটক করেছে পুলিশ।

[কাঁচা মাংসের লোভে খুনি হয়ে উঠেছে গেরস্তের এঁটো খাওয়া নেড়িরা]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আসানসোলে আমরাসোতা সুজিমিল এলাকায় ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশেই বাড়ি বাহাদুর প্রসাদ যাদবের। গরম থেকে বাঁচতে মঙ্গলবার রাতে বাড়ির বাইরে উঠানে মাচায় ঘুমাচ্ছিলেন তাঁর তিন ছেলে ও ভাইপো। দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল চারজনেরই। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, জাতীয় সড়ক ধরে বীরভূমে পাঁচামি থেকে রানিগঞ্জ যাওয়ার যাচ্ছিল একটি ডাম্পার। আমরাসোতা সুজিমিল এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি ঢুকে পড়ে বাহাদুর প্রসাদ যাদবের বাড়িতে। ঘড়িতে তখন রাত ১২টা। বাহাদুরের তিন ছেলে ও ভাইপোকে পিষে দেয় ডাম্পারটি। বরাতজোরে প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনার সময়ে বাইরে গিয়েছিলেন বাহাদুরের ভাই পিন্টু। ফিরে এসে তিনিই প্রথম দেখেন, যে বাড়িতে ডাম্পার ঢুকে গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সাহায্যে ওই চারজনকে উদ্ধার করে পুলিশ। আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে, তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। এলাকায় শোকের ছায়া। এদিকে দুর্ঘটনার পরই ডাম্পার ফেলে পালিয়ে যান চালক। তবে খালাসি ও ডাম্পারটিকে আটক করেছে পুলিশ।

[আট বছরের শিশুর দেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তে পাঠাল পুলিশ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.