Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Burdwan BJP

আদি বনাম নব্য BJP’র লড়াই! সরানো হল বর্ধমানের সাংগঠনিক জেলা সভাপতিকে

সন্দীপ নন্দীর জায়গায় ওই পদে এলেন অভিজিৎ তা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১, ১৭:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১, ১৭:২২

options
link
আদি বনাম নব্য BJP’র লড়াই! সরানো হল বর্ধমানের সাংগঠনিক জেলা সভাপতিকে zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: আদি বনাম নব্য BJP’র দ্বন্দ্বে এবার পদ খোয়ালেন বিজেপির বর্ধমান (Burdwan) সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দী। শুক্রবার ওই পদ থেকে তাঁকে অপসারিত করা হয়েছে। বদলে বিজেপির নতুন জেলা সভাপতি হলেন অভিজিৎ তা। সম্প্রতি এই জেলায় আদি বনাম নব্য বিজেপি দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। সন্দীপ নন্দীকে সরানোর দাবিতে আন্দোলনে নামে আদি বিজেপি। সন্দীপ নন্দীর অপসারণ তাঁদের নৈতিক জয় হিসেবে দেখছেন তাঁরা।

এদিন সন্ধ্যায় অপসারণের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। সন্দীপবাবু বলেন, “টেলিফোনে আমি খবরটা পেয়েছি। নতুন জেলা সভাপতিকে অভিনন্দন জানাই। আমাকে রাঢ়বঙ্গ জোনের বুথ ম্যানেজমেন্ট কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।” অভিজিৎবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সংবাদ মাধ্যমেই শুনেছেন দায়িত্ব পাওয়ার কথা। আদি বিজেপির তরফে কেশবচন্দ্র কোনার বলেন, “আমাদের নৈতিক জয় হয়েছে। নতুন সভাপতি অভিজিৎ তা আমাদের সঙ্গে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আলোচনায় বসবেন বলে জানিয়েছেন। আমরা দাবি করব যে সব বিজেপি কর্মীদের কুকর্মের জন্য দলের ভাবমূর্তি খারাপ হয়েছে তাদের নির্বাচনী প্রচারে রাখা যাবে না।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভোটের কাজে মৃত্যু হলে দিতে হবে ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ, দাবি শিক্ষকদের]

আদি বনাম নব্য বিজেপির দ্বন্দ্ব কয়েকমাস ধরে প্রকাশ্যে এসেছ। গত ২১ জানুয়ারি বর্ধমানে বিজেপি কার্যালয়ে আলোচনায় এলে তুমুল বিবাদ বাধে। কার্যালয়ে হামলা হয়। কার্যালয়ের ভিতর থেকেও আক্রমণ করা হয়। কয়েকটি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ঘটনায় সন্দীপ নন্দী-সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মকর্তাকে শোকজ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। পরবর্তীতে আদি বিজেপি সন্দীপবাবুকে সরানোর দাবিতে আন্দোলনে নামে। আদি বিজেপির নামে দেওয়াল লিখনও শুরু হয়। এমনকী জেলার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নেয় তারা। শেষ পর্যন্ত সন্দীপ নন্দীকে এবার সরিয়েই দিল দল।

এদিকে, এখানেই কিন্তু শেষ নয়। এরপর আরও তিন নেতাকে এক বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ভোটগণনার দিনই জন্মশতবার্ষিকী সত্যজিৎ রায়ের, আদৌ উদযাপন হবে? শঙ্কায় ভক্তকুল]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.