Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Extra marrital affair

বিয়ের ১৫ দিনের মধ্যেই প্রেমিকাকে নিয়ে বাড়িতে স্বামী! অশান্তি থামাতে গিয়ে মৃত শ্বশুর

দেগঙ্গায় পরকীয়া কাণ্ডে দুই ভাইয়ের মধ্যে ঝগড়া থামাতে গিয়েই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন ৫০ বছরের শরিফুল।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৬, ১৯:৫২

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৬, ১৯:৫২

options
link
বিয়ের ১৫ দিনের মধ্যেই প্রেমিকাকে নিয়ে বাড়িতে স্বামী! অশান্তি থামাতে গিয়ে মৃত শ্বশুর zoom
বিয়ের পর প্রেমিকাকে নিয়ে বাড়ি আসায় ছেলেদের মধ্যে ঝগড়া, থামাতে গিয়ে মৃত্যু বাবা
Advertisement

বিয়ের মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই একেবারে প্রকাশ্যে চলে এল স্বামীর পরকীয়া। সংসার তো ভাঙলই, তার চেয়েও বড় দুঃসংবাদ এই যে এনিয়ে তুমুল অশান্তির মাঝে মৃত্যু হল পরিবারের বয়স্ক মানুষটির। শনিবার ভোরবেলায় নিজের প্রেমিকাকে নিয়ে বাড়িতে ঢুকতেই দুই ছেলের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। তা থামাতে গিয়ে মারা যান তাঁদের বাবা। দেগঙ্গার এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

দেগঙ্গার চাকলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সিরাজপুর গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে রাকিবুলের বিয়ে হয়েছিল দিন পনেরো আগে। অভিযোগ, বিয়ের পরও অন্য এক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাঁর। শনিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ প্রেমিকাকে নিয়ে বাড়িতে আসে রাকিবুল। তা নিয়েই বড় ভাই আহসান হাবিবের সঙ্গে শুরু হয় বচসা। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুই ছেলের ঝামেলা থামাতে এগিয়ে আসেন বছর পঞ্চাশের বাবা শরিফুল ইসলাম। ধাক্কাধাক্কিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মৃত্যু হয় তাঁর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেগঙ্গার চাকলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সিরাজপুর গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে রাকিবুলের বিয়ে হয়েছিল দিন পনেরো আগে। অভিযোগ, বিয়ের পরও অন্য এক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাঁর। শনিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ প্রেমিকাকে নিয়ে বাড়িতে আসে রাকিবুল। তা নিয়েই বড় ভাই আহসান হাবিবের সঙ্গে শুরু হয় বচসা। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুই ছেলের ঝামেলা থামাতে এগিয়ে আসেন বছর পঞ্চাশের বাবা শরিফুল ইসলাম।

Advertisement

অভিযোগ, সেই সময় ধাক্কাধাক্কির মাঝে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরিবারের লোকজন দ্রুত তাঁকে বিশ্বনাথপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। গ্রামবাসীদের দাবি, শরিফুল হাই সুগার ছিল, তিনি হৃদরোগে ভুগছিলেন। দুই ছেলের ঝামেলা থামাতে গিয়ে পড়ে গিয়ে আঘাত পান তিনি। তারপরই তাঁর মৃত্যু হয়। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। পুলিশ জানিয়েছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত খুনের লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বারাসত সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে অভিযুক্ত রাকিবুল ইসলামকে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.