Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬

হোটেল-রেস্তরাঁয় হুটহাট হানা, বেচাল দেখলে রক্ষে নেই! চন্দ্রকোণায় ‘দাবাং’ খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক

তুমুল শোরগোল চন্দ্রকোণায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২৩, ১৯:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২৩, ১৯:৫৩

options
link
হোটেল-রেস্তরাঁয় হুটহাট হানা, বেচাল দেখলে রক্ষে নেই! চন্দ্রকোণায় ‘দাবাং’ খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক zoom
Advertisement

শ্রীকান্ত পাত্র, ঘাটাল: ঝাঁ চকচকে হোটেল ও রেস্তরাঁ। তারই আড়ালে চলছে বাসি ও পচা খাবারের রমরমা ব্যবসা। বারবার সতর্ক করা সত্বেও তাঁদের হুঁশ না ফেরায় রুখে দাঁড়ালেন এক ‘দাবাং’ মহিলা আধিকারিক। দোকানে দোকানে হানা দিলেন তিনি। পরীক্ষা করলেন খাবারের গুনমান। বাসি-পচা খাবার দেখলেই ছুঁড়ে ফেলে দিলেন সেই পদ। একইসঙ্গে নিয়মভাঙার অপরাধে কাউকে নোটিস দিলেন তো কারওর লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন তিনি। এই ঘটনায় তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে চন্দ্রকোণা পুরসভায় ।

শনিবার হঠাৎই পুর খাদ‌্য সুরক্ষা আধিকারিক দেবারতি জোতদার চন্দ্রকোণার গাছশীতলা, গোঁসাইবাজর, দক্ষিণবাজার, গোবিন্দপুর, ঠাকুরবাড়ির হোটেল ও রেস্তরাঁয় হানা দেন। বাদ যায়নি রাস্তার ধারের ফুডস্টলগুলিও। দপ্তরের লোকজন নিয়ে হোটেল ও রেস্তরাঁগুলির অন্দরে ঢুকে পড়েন। একেবারে হেঁশেলে ঢুকে দেখে নেন রান্নার জায়গাটা পরিচ্ছন্ন রয়েছে কি না। তারপর হোটেলের ফ্রিজ খুলে টেনে বের করেন পচা ও বাসি খাবার। ছুঁড়ে ফেলে দেন ডাস্টবিনে। মিষ্টির দোকানে ঢুকে দোকানের ফ্রিজ থেকে পচা মিষ্টি টেনে ফেলে দেন ভ‌্যাটে। নিয়ম দেখা মাত্রই নোটিশ ধরিয়ে দেন স্পটে দাঁড়িয়েই। এক সরকারি আধিকারিকের এহেন রুদ্র মুর্তি দেখে ভিড় জমায় কৌতূহলী জনতা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘আমার সব কিছুই বড় পছন্দ!’ নিকের সঙ্গে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন প্রিয়াঙ্কা]

খাদ‌্য সুরক্ষা আধিকারিক দেবারতি জোতদার রীতিমতো হঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, “এভাবে পচা ও বাসি খাবার নিয়ে ব‌্যবসা করা চলবে না। অনেকবার আপনাদের সতর্ক করা হয়েছে । বলা হয়েছে খাদ‌্য নিরাপত্তার নিয়ম মেনে খাবারের ব‌্যবসা করুন। লাইসেন্স নিন। কিন্তু তা না করে মানুষকে ঠকাচ্ছেন কেন? বাসি ও পচা খাবার খেয়ে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।” এদিন বেশ কয়েকটি খাবারের দোকানের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিস ইস‌্যু করেছেন দেবারতি। তাঁর অভিযোগ, বহু খাবারের দোকান চলছে অনুমতি ছাড়াই। এমনকী, তেলেভাজা দোকানে একই তেল ব‌্যবহার করা হচ্ছে দিনের পর দিন। দেবারতিদেবীর কথায়, “এই পুরসভায় সমস্ত খাবার দোকানের মালিকদের নিয়ে সচেতনতা শিবির করা হয়েছে। নিয়মকানুন সব বলে দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তা সত্বেও পচা ও বাসি খাবার বিক্রি করেই চলেছে। তাই ওঁদের বিরুদ্ধে খাদ‌্য সুরক্ষা আইনের ৬৩ ধারায় ব‌্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে জেল বা পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।”

 

দেবারতিদেবীর কাজে খুশি পুরসভার চেয়ারম‌্যান প্রতিমা পাত্র। তিনি বলেন, “উনি যা করছেন ঠিকই করছেন। অনেক খাবারের দোকান কোনও নিয়মকানুন মানছে না। তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব‌্যবস্থা নিচ্ছেন উনি।”

[আরও পড়ুন: ‘অতি জঘন্য, কেঁদে ফেলেছি!’ অরিজিতের গলায় ‘আজ ফির তুম পে’-র রিমিক্সে ক্ষোভ অনুরাধার]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.