Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Fraud

মেডিক্যাল কলেজে ভরতির নামে আর্থিক প্রতারণা, পুলিশের জালে ২

মোট ১২ লক্ষ টাকা হাতিয়েছে অভিযুক্তরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২১, ২০:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২১, ২০:২৯

options
link
মেডিক্যাল কলেজে ভরতির নামে আর্থিক প্রতারণা, পুলিশের জালে ২ zoom
ছবি: প্রতীকী।
Advertisement

সুনীপা চক্রবর্তী, ঝাড়গ্রাম: মেডিক্যাল কলেজে ভরতি করে দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ। পুলিশের জালে এক মহিলা-সহ দু’জন। শুক্রবার প্রতারণার ঘটনায় অভিযুক্ত শুভাশিস পতি এবং নিতু রায়কে ঝাড়গ্রাম আদালতে তোলা হলে বিচারক চার দিন পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝাড়গ্রাম শহরের রঘুনাথপুরের বাসিন্দা অবর্না দাস ফেব্রুয়ারি মাসে ঝাড়গ্রাম সাইবার ক্রাইম শাখায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, ছেলেকে বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে ভরতি করে দেবে বলে শুভাশিস নামে এক ব্যক্তি ১২ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে। পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু করে। বৃহস্পতিবার কলকাতার লেকটাউন থেকে শুভাশিস পতি এবং নিতু রায় নামে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে অভিযুক্ত নিতু, শুভাশিস কলকাতার লেক টাউন এলাকায় থাকত। তারা লিভ ইন সম্পর্কে ছিল। এই যুগল প্রথমে কলকাতায় একটি কনসালটেন্সি অফিস চালাতো। পরে একটি সফটওয়ার কোম্পানি খুলে বিভিন্ন জায়গায ভরতি করিয়ে দেওয়ার নাম করে প্রতারণা চক্র চালাছিল। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা ফোনের মাধ্যমে ঝাড়গ্রামের এই পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করে। গত দু-তিন বছর ধরে ধাপে ধাপে বারো লক্ষ টাকা নেয়। পরে আরও ষাট লক্ষ টাকা তারা চেয়েছিল। কিন্তু বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে ভরতি করার পর সেই টাকা দেওয়া হবে এমনই কথা হয়েছিল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সুর নরম মালিকদের! শনিবার থেকে রাস্তায় নামবে আরও সাড়ে ৩৫০০ বেসরকারি বাস]

জানা গিয়েছিল, শুভাশিস আগরওয়াল বলে পরিচয় দিয়েছিল শুভাশিস পতি। ঝাড়গ্রামের রঘুনাথপুরে অভিযোগকারীদের বাড়িতেও এসেছিল। তবে বারো লক্ষ টাকা অনলাইনের মাধ্যমে দেয় ওই পড়ুয়ার পরিবার। টাকা নেওয়ার পর ভরতির জন্য তাঁদের বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে যেতেও বলা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে সারাদিন অপেক্ষা করার পরেও কারও দেখা মেলেনি এবং ফোনেও পাওয়া যায়নি। এরপরই ওই পড়ুয়ার বাবা-মা বুঝতে পারেন তাঁরা প্রতারিত হয়েছেন। পরে চলতি বছর ফেব্রয়ারি মাসের এক তারিখ তাঁরা ঝাড়গ্রাম সাইবার থানায় অভিযোগ করেন। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের কাছ থেকে দুটি ল্যাপটপ, মোবাইল এবং বেশ কিছু নথিপত্র পাওয়া গিয়েছে। পুলিশ ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে এই চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত রয়েছে তা জানার চেষ্টা চলছে। এই বিষয় ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, “বারো লক্ষ টাকা মেডিক্যাল কলেজে ভরতি করার নাম করে প্রতারণা করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় অভিযোগের ভত্তিতে পুলিশ এক মহিলা এবং এক পুরুষকে গ্রেপ্তার করেছে।”

[আরও পড়ুন: হাড়িভাঙ্গা আমে আপ্লুত মমতা, প্রধানমন্ত্রী হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.