Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Madhyamgram Fire Incident

মধ্যমগ্রামে রঙের কারখানায় বিধ্বংসী আগুন, লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি, পরিকাঠানো নিয়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন দমকল কর্মীরা।

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৯:১৯

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৯:১৯

options
link
মধ্যমগ্রামে রঙের কারখানায় বিধ্বংসী আগুন, লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি, পরিকাঠানো নিয়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা zoom
দাউ দাউ করে জ্বলছে কারখানা।
সৌজন্য: নিজস্ব ছবি।

দ্বিতীয়বার বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল মধ্যমগ্রামের দিকবেড়িয়ার একটি রং কারখানার গোডাউনে। বৃহস্পতিবার দুপুরের এই দুর্ঘটনায় হতাহতের কোনও ঘটনা না ঘটলেও লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। তবে, অতীত থেকে শিক্ষা না নিয়ে আগুন নেভানোর নিজস্ব পরিকাঠামো না তৈরি করায় কারখানা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মধ্যমগ্রাম পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের দিকিবেড়িয়ার দ্বিতীয় সরণী এলাকায় প্রায় ৩৫টি কারখানা রয়েছে। এরমধ্যে রংয়ের কারখানা মাত্র একটি। এই কারখানার পাশাপাশি দুটি গোডাউন। একটিতে মজুত ছিল ২০০লিটারের রাসায়নিকের কমবেশি ৭০টি ড্রাম। এই গোডাউনে এদিন দুপুর আনুমানিক ৩টের সময় তিনজন শ্রমিক কাজ করার সময় হঠাৎ আগুন ও ধোঁয়া দেখে তড়িঘড়ি বাইরে বেরিয়ে আসে। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই দাহ্য রাসায়নিককে আগুন লেগে মুহূর্তের মধ্যে পুরো গোডাউনে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগলেও পরবর্তীতে মধ্যমগ্রাম ও বারাসত থেকে দমকলের সাতটি ইঞ্জিন এসে ঘণ্টা তিনেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। শর্টসার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলেই প্রাথমিক অনুমান দমকল ও পুলিশের। যদিও অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ জানতে পুলিশ ও দমকল যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, বছর পাঁচেক আগে এই রংয়ের কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল। এরপরই দমকল এবং মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ কারখানার ভিতরে জলের রিজার্ভার তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল কারখানা কর্তৃপক্ষকে। তারপরেও রিজার্ভার তৈরির কাজ অর্ধেক হয়ে পড়ে থাকা নিয়ে এদিন সরব হয়েছেন স্থানীয়রা। এলাকার বাসিন্দা রাজীব মন্ডল জানিয়েছেন, “কয়েক বছর আগে এই কারখানায় আগুন লেগে একজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তবুও কারখানার ভিতরে জলের ট্যাংক তৈরী করা হয়নি। মালিক পক্ষ শুধু মুনাফার দিকে নজর দেয়, নিরাপত্তা দিকে নয়।”

আরেক বাসিন্দা জুলফিকার মোল্লা বলেন, “আগুন লাগার পরে বাসিন্দারা এক কিলোমিটার দূরের একটি কারখানা থেকে পাইপ-সহ অন্যান্য জিনিস এনে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। অথচ এই কারখানায় আগুন নেভানোর কোন পরিকাঠামো নেই।” এনিয়ে মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান নিমাই ঘোষ বলেন, “পুরসভার পক্ষ থেকে কারখানা মালিককে ডাকা হয়েছে। কারখানা পুনরায় চালু করতে হলে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা সঠিক করতে হবে বলেই মালিককে জানিয়ে দেওয়া হবে। নাহলে পুরসভা ওই কারখানা চালু করতে দেবে না।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.