Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
Bhojshala

সরস্বতী পুজো ও জুম্মার নমাজ দুইই হবে শুক্রে, বিতর্কিত ভোজশালা নিয়ে ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

এই স্থান হিন্দুদের উপাসনাস্থল নাকি মুসলিমদের? বিতর্ক চরম আকার নিতেই ওই স্থানে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণকে বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, সেখানে ৯৪ টি মূর্তি পাওয়া গিয়েছে। এর পরেই হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, ভোজশালার জমির নিচে পাওয়া গিয়েছে হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৪:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৪:২৮

options
link
সরস্বতী পুজো ও জুম্মার নমাজ দুইই হবে শুক্রে, বিতর্কিত ভোজশালা নিয়ে ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ zoom
২০২২ সালে ভোজশালা নিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। ফাইল চিত্র।

জ্ঞানবাপী বিতর্কের মাঝেই শিরোনামে মধ্যপ্রদেশের ভোজশালা। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিল, শুক্রবার হিন্দু এবং মুসলিম উভয় সম্প্রদায় নিজের নিজের ধর্মীয় উপাসনা করতে পারবেন বিতর্কিত ওই দরগা চত্বরে। অর্থাৎ, আগামিকাল সরস্বতী পুজো এবং জুম্মার নমাজ দুই হবে ভোজশালায়। সুপ্রিম নির্দেশে এর জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।

সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশে দিয়েছে, দুপুর ১টা থেকে ৩টে অবধি একটি নির্দিষ্ট স্থানে জুম্মার নমাজ পাঠ করবেন স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। এর পর তারা বিতর্কিত জায়গা ছেড়ে চলে যাবেন। একই ভাবে সরস্বতী পুজোর অনুষ্ঠান সমাপ্ত হলে ভোজশালার বিতর্কিত স্থান থেকে চলে যাবেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা। উল্লেখ্য, ২৩ জানুয়ারি একই দিনে জুম্মার নমাজ এবং বসন্ত পঞ্চমী (সরস্বতী পুজো) পড়ায় এমন নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মধ্যপ্রদেশের ধার শহরের ভোজশালায় রয়েছে হাজার বছরের পুরানো একটি বিতর্কিত সৌধ। মুসলিমদের দাবি ওটি আসলে মসজিদ। অন্যদিকে হিন্দুদের দাবি ওই সৌধ রাজা ভোজের তৈরি সরস্বতী মন্দির। সরকারি নিয়ম মেনে সপ্তাহে দু’দিন দুই ধর্মের মানুষই এখানে পালন করে ধর্মীয় আচার। বাকি দিনগুলোতে এখানে প্রবেশের অনুমতি থাকলেও পুজো বা নমাজ নিষিদ্ধ। এই নিয়মে বদল চেয়ে ২০২২ সালে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। হিন্দু পক্ষের আইনজীবী হরিশংকর জৈন মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টকে জানান, ২০০৩ সালের একটি নোটিসের জেরে মুসলিমদের ভোজশালায় নমাজের অধিকার দেওয়া হয়েছিল ঠিকই কিন্তু এটি আসলে হিন্দু মন্দির। তাই এখানে শুধুমাত্র হিন্দুদের উপাসনার অনুমতি দেওয়া হোক।

দুপুর ১টা থেকে ৩টে অবধি একটি নির্দিষ্ট স্থানে জুম্মার নমাজ পাঠ করবেন স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ।

এই স্থান হিন্দুদের উপাসনাস্থল নাকি মুসলিমদের? বিতর্ক চরম আকার নিতেই ওই স্থানে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বা এএসআই)কে বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সদ্য পেশ হয়েছে সেই সমীক্ষার রিপোর্ট। সেখানে একাধিক ঐতিহাসিক নমুনার পাশাপাশি পাওয়া গিয়েছে ৯৪ টি মূর্তি। এর পরই হিন্দুত্ববাদীদের তরফে দাবি হল হল, ভোজশালার জমির নিচে পাওয়া গিয়েছে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি ও মন্দিরের অস্তিত্ব।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.