শুভময় মণ্ডল: ঘূর্ণিঝড় আমফানে (Amphan) লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে গোটা রাজ্য। ভয়ংকরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। একের পর এক ভেঙে পড়েছে বাড়ি। ভরপেট খাবার তো দূর-অস্ত পানীয় জলটুকুও পাচ্ছেন না অধিকাংশই। এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার এনায়েতপুরের শোলার শিল্পীদের পাশে দাঁড়ালেন কলকাতার পুজো উদ্যোক্তারা। অসহায় মানুষগুলোর হাতে তুলে দিল ত্রাণ সামগ্রী।
পুজো উদ্যোক্তাদের সংগঠন ‘ফোরাম ফর দুর্গোৎসবে’র সাধারণ সম্পাদক শাশ্বত বসুর কথায়, “আমফানের তাণ্ডবে বাংলার কতগুলি এলাকা প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। আমরা কলকাতার পুজো পাগলের দল চেয়েছিলাম এই দুর্দিনে সাধ্যমতো অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে। সেই কারণেই পৌঁছে গিয়েছিলাম এনায়েতপুরে। ১৭০টি পরিবারের হাতে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও ত্রিপল তুলে দিয়েছি।” কলকাতার পুজোওয়ালাদের কথায়, আমফান তাণ্ডব চলানোর পর ১০ দিনের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও ওই এলাকার রাস্তার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। গাড়ি নিয়ে এলাকায় প্রবেশ কার্যত অসম্ভব।

[আরও পড়ুন: অজানা নম্বর থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে ২২ বার ফোন! পুলিশ কমিশনারকে খতিয়ে দেখার নির্দেশ]
জানা গিয়েছে, এনায়েতপুরের যে পরিবারগুলির হাতে এদিন ত্রাণ তুলে দেওয়া হয়েছে তাঁরা দুর্গোপুজোর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শোলার কাজ করেই জীবিকা নির্বাহ করেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।

তাই এই সংকটকালে সবার পাশে দাঁড়ানোর সাধ্য না হলেও দুর্গাপুজোর সঙ্গে জড়িতদের এই মানুষগুলোর জন্য কিছু করতে পেরে খুশি ফোরাম ফর দুর্গোৎসব। এখন তাঁদের প্রার্থনা, এনায়েতপুর গ্রামের সমস্ত পরিবার তাদের দুর্দশা কাটিয়ে আবার উঠে দাঁড়াক, ফের তাদের ভূবনমোহিনী শোলা শিল্পর মাধ্যমে দুর্গাপূজার ঔজ্জ্বল্য তুলে ধরুক সকলের সামনে।
[আরও পড়ুন: চলতি সপ্তাহেই খুলছে কালীঘাট মন্দির! সরকারি নির্দেশিকা মেনে বসছে স্যানিটাইজিং চ্যানেল]
সর্বশেষ খবর
-
কান টেনে মাথার হদিশ! এবার টুলু-কানেকশন খুঁজতে অনুব্রতর দেহরক্ষীর বাড়িতে রাজ্য পুলিশও
-
‘এই বাংলা শ্যামাপ্রসাদ-প্রণবানন্দের’, রেড রোডে ‘সংকীর্ণতা’ সরিয়ে রাষ্ট্রবাদের পাঠ শুভেন্দুর
-
লালকেল্লায় মোদির মুখে ‘ফ্র্যাজাইল ৫’, ভারতের কলঙ্কময় অধ্যায় মনে করিয়ে কংগ্রেসকে তোপ প্রধানমন্ত্রীর
-
লালকেল্লা থেকে নারী সংরক্ষণ নিয়ে মোদির বার্তা! ‘আন্তরিকতা থাকলে..’, খোঁচা কংগ্রেসের
-
শ্রীলঙ্কা সিরিজ শেষে আগরকরের সঙ্গে আলোচনায় বোর্ড, টানা বিতর্কে চাকরি যাচ্ছে নির্বাচক প্রধানের?