Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Damodar

শিয়ালের কারণে দামোদরের বাঁধ জুড়ে গর্ত! বিপদের আশঙ্কায় বর্ধমানের একাধিক গ্রাম

ফি বছর বর্ষার মরশুমে আতঙ্কে থাকেন বিশেষত জামালপুরের শিয়ালী, মাঠশিয়ালি, কোরা এবং অমরপুর- সহ বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা।

সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ২০:১২

link
সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ২০:১২

options
link
শিয়ালের কারণে দামোদরের বাঁধ জুড়ে গর্ত! বিপদের আশঙ্কায় বর্ধমানের একাধিক গ্রাম zoom
দামোদর নদের বাঁধে এভাবেই গর্ত বন্ধের কাজ চলছে।
Advertisement

গত কয়েকবছরে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে শিয়ালের সংখ্যা। বাসস্থানের অভাবে নদনদীর বাঁধে গর্ত করেই আশ্রয় নিচ্ছে। আর তাতেই বিপদ বাড়ছে নদী বাঁধের। ডিভিসির ছাড়া জল ও বৃষ্টির জল নদীর জলস্তর বাড়লে সেই সব গর্তে জল ঢুকে ক্রমশ তৈরি হচ্ছে বাঁধ ভাঙার আশঙ্কা। এরফলে গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যার জেরে আতঙ্কে ভুগছেন পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর, রায়নার বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা। যদিও বিষয়টি জানতে পেরেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা। গোটা এলাকা পরিদর্শন করেন। শুধু তাই নয়, নেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও।

পূর্ব বর্ধমান জেলার বুক চিড়ে বয়ে গিয়েছে দামোদর নদ। ডিভিসি জল ছাড়লে প্লাবনের আশঙ্কা দেখা দেয় রায়না ও জামালপুরের একাংশে। ফি বছর বর্ষার মরশুমে আতঙ্কে থাকেন বিশেষত জামালপুরের শিয়ালী, মাঠশিয়ালি, কোরা এবং অমরপুর- সহ বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা। বৃষ্টির সঙ্গে বাড়তে থাকে আতঙ্কও। সম্প্রতি জল ছাড়তে শুরু করেছে ডিভিসি। এতে বিপদ আরও বেড়েছে। এরপরেই গোটা এলাকা পরিদর্শন করেন সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা। জল ছাড়ার পর গোটা এলাকা সরজমিনে খতিয়ে দেখেন। এলাকায় যান জামালপুরের বিধায়ক অরুণ হালদারও। বাঁধের অবস্থা সরেজমিন পরিদর্শন করেন। মানুষ যাতে সমস্যায় না পড়েন তার ব্যবস্থা করা হয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দামোদরের বাঁধে বড় বড় গর্ত রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, এখানে শিয়ালে প্রচুর উপদ্রব। অত্যধিক হারে শিয়ালের সংখ্যা বেড়েছে। বাঁধে গর্ত করে বসবাস করে শিয়ালের পরিবার। আর দামোদরের জল এই গর্তে ঢুকে বাঁধ ভেঙে দিতে পারে। তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন তাঁরা। তবে তা করতে গিয়ে শিয়ালের যাতে ক্ষতি না হয় সেদিকটাও নজর রাখা প্রয়োজন। ইতিমধ্যে বালির বস্তা দিয়ে বাঁধের গর্ত বন্ধ করা হয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি প্রধান চন্দ্র পাল বিধায়কের সঙ্গে এলাকায় গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন। বাঁধ মেরামত করা হচ্ছে। বাসিন্দাদের যাতে ক্ষতি না হয় তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.