BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

করোনাতঙ্কে মৃতদেহ ছুঁল না শ্মশানের ডোমরা, চুল্লিতে ঢোকালেন পরিজনরাই!

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: July 29, 2020 5:18 pm|    Updated: July 29, 2020 5:21 pm

An Images

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: ফের অমানবিকতার নজির বাংলায়। এবার বারুইপুরের কীর্তনখোলা শ্মশানে ৫ ঘণ্টা পড়ে রইল দেহ। কিন্তু করোনায় (Corona Virus) মৃত্যু, এই সন্দেহে সৎকার করলেন না শ্মশানের কর্মীরা। বাধ্য হয়ে মৃতের পরিজনরাই দেহ বৈদ্যুতিন চুল্লিতে দিয়ে দাহের কাজ সম্পন্ন করেন।

জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের (Jaynagar) ধোসা এলাকার বাসিন্দা উত্তম নস্কর নামে বছর ৩৭-এর ওই যুবক। নিউমোনিয়া নিয়ে গত শুক্রবার বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে ভরতি হন তিনি। জ্বর-সর্দি-কাশি, সবই ছিল তাঁর। মঙ্গলবার রাতে সেখানেই মৃত্যু হয় উত্তমবাবুর। হাসপাতাল থেকে ডেথ সার্টিফিকেট ও দেহ নিয়ে পরিবারের লোকজন যান বারুইপুর কীর্তনখোলা শ্মশানে। সেখানেই সমস্যার শুরু। অভিযোগ, ডেথ সার্টিফিকেটে নিউমোনিয়া লেখা থাকা সত্ত্বেও শ্মশান কর্তৃপক্ষ দেহ পোড়াতে অস্বীকার করে। কারণ, সার্টিফিকেটে নিউমোনিয়ার উল্লেখের পাশাপাশি বলা ছিল যে, করোনা পরীক্ষা হয়েছে কিন্তু রিপোর্ট এখনও মেলেনি। এতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শ্মশানের কর্মীরা। দাহ করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন তাঁরা।

[আরও পড়ুন: মাধ্যমিকের লিখিত পরীক্ষায় পড়ুয়ার প্রাপ্তি ১৪! মেধাবী ছাত্রের ফলে হতবাক পরিবার]

সংবাদমাধ্যম মারফত বিষয়টি জানার পর শ্মশানে যান বারুইপর পুরসভার চেয়ারম্যান শক্তি রায়চৌধুরী। তিনি গিয়ে দেহ সৎকারের অনুমতি দিলেও দেহ স্পর্শ করতে রাজি হননি শ্মশানের কোনও কর্মী। অগত্যা পরিবারের সদস্যরা উত্তমবাবুর দেহ বৈদ্যুতিন চুল্লিতে দিয়ে দেন। এই ঘটনা প্রসঙ্গে শ্মশানের দায়িত্বে থাকা সৈকত চক্রবর্তী বলেন, “আমরা দেহ পোড়াব না এ কথা বলছি না, আমাদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট লাগবে।” পরিবারের অভিযোগ, দাহ তো দূর – অস্ত, শ্মশানের মধ্যে যেখানে মৃতদেহ রাখার জায়গা আছে সেখানেও দেহটি রাখতে দেওয়া হয়নি। দীর্ঘক্ষন বৃষ্টিতে পড়েছিল ব্যক্তির দেহ। সংক্রমণের আতঙ্কে লাগাতার এহেন আচরণে প্রশ্নের মুখে মানবিকতা।

[আরও পড়ুন: করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ হওয়া সত্ত্বেও অবস্থার অবনতি, প্রয়াত কোচবিহারের যুব তৃণমূল নেতা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement