Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
অ্যালয় স্টিল

দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় বিলগ্নিকরণের বিজ্ঞপ্তি, সিঁদুরে মেঘ দেখছেন শ্রমিকরা

কারখানার গেটের সামনে বিক্ষোভ শ্রমিকদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০১৯, ১৮:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০১৯, ১৮:১৪

options
link
দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় বিলগ্নিকরণের বিজ্ঞপ্তি, সিঁদুরে মেঘ দেখছেন শ্রমিকরা zoom

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: ২০১৮-র ১৪ ফেব্রুয়ারির পর ফের ৪ জুলাই ২০১৯। দ্বিতীয় দফায় জারি হল অ্যালয় স্টিল কারখানার কৌশলগত বিলগ্নিকরণের বিজ্ঞপ্তি। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১ আগস্ট সন্ধ্যা ছ’টার মধ্যে কিনতে ইচ্ছুক সংস্থাকে তাদের ইচ্ছা প্রকাশ করতে হবে। এবারও একসঙ্গে সেইলের তিনটি কারখানা যথাক্রমে অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট, ভদ্রাবতী স্টিল প্ল্যান্ট ও সালেম ইস্পাত কারখানায় কৌশলগত বিলগ্নিকরণের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। আর এতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন শ্রমিকরা। এই বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন স্থানীয় সাংসদ।

[ আরও পড়ুন: রাজনীতি দূরে, মা তারার রথ টানলেন রাজ্যের মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা ]

Advertisement

নীতি আয়োগের পরামর্শ মোতাবেক ২০১৭ সালেই কেন্দ্র এই তিনটি কারখানা বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মতো ২০১৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সেইল। ফের সেই বিজ্ঞপ্তি। যদিও এবারও সেই চক্রান্তকে রুখে দিতে পারবে বলেই মনে করছেন অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্টের শ্রমিকরা। কারখানার সিটু ইউনিয়নের সহ-সভাপতি বিজয় সাহা বলেন, “আমরা নিশ্চিত এবারও শ্রমিকরাই ঠেকাবে এই কেন্দ্রের চক্রান্তকে। কোনওভাবেই কারখানার গেট ছাড়ব না। আগেও এই উপায়েই রুখেছিলাম কারখানা বিক্রির চেষ্টাকে। এবারও একইভাবে সবাই মিলেই আটকাতে সমর্থ হব। তার চূড়ান্ত প্রস্তুতিও চলছে।”

[ আরও পড়ুন: বিজেপি যুব মোর্চার মিছিলে গুলি-বোমা, রণক্ষেত্র আসানসোল ]

অ্যালয় স্টিল কারখানায় ফের বিলগ্নিকরণের বিজ্ঞপ্তি সহ বিস্তারিত জানানো হলেও বর্ধমান-দুর্গাপুরের সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া কোনও মন্তব্য করেননি। তিনি শুধু জানান, “আগে সমস্ত নথি দেখি।” যদিও অ্যালয় স্টিল কারখানার শ্রমিকরা তাঁর কাছ থেকে কিছুই আশা করে না বলে সিটুর-সহ সভাপতি বিজয় সাহা বলেন, “এটা বিজেপির পলিশি ডিসিশন। এর বাইরে যাওয়ার ক্ষমতাও নেই সাংসদের। তারা সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে তা তুলে দিতে চায় তাদের পেটুয়া বেসরকারি হাতে।” যদিও দলের পলিসির বাইরে গিয়েও প্রথমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় অ্যালয় স্টিলের কৌশলগত বিলগ্নিকরণ রুখতে শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.