Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Humayun Kabir

জলাজমি বুজিয়ে বাড়ি নির্মাণ, হুমায়ুনের স্ত্রীকে থানায় তলব

মুর্শিদাবাদের মানিক্যহার গ্রামে হুমায়ুন কবীরের বাড়ি। সেটি স্ত্রী মিতা সুলতানার নামে নথিভুক্ত। আর সেই বাড়িটি নিয়েই যাবতীয় বিতর্ক।

Advertisement
শাহজাদ হোসেন
শাহজাদ হোসেন

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ১৮:৫৯

link
শাহজাদ হোসেন
শাহজাদ হোসেন

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ১৮:৫৯

options
link
জলাজমি বুজিয়ে বাড়ি নির্মাণ, হুমায়ুনের স্ত্রীকে থানায় তলব zoom
ফাইল ছবি

আরও বিপাকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাসপেন্ডেড বিধায়ক তথা আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। জলাজমি বুজিয়ে বাড়ি তৈরির অভিযোগে তাঁর স্ত্রীকে এবার তলব পুলিশের। বুধবার বেলা ১২টা নাগাদ শক্তিপুর থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছে তাঁকে।

মুর্শিদাবাদের মানিক্যহার গ্রামে হুমায়ুন কবীরের বাড়ি। সেটি স্ত্রী মিতা সুলতানার নামে নথিভুক্ত। আর সেই বাড়িটি নিয়েই যাবতীয় বিতর্ক। অভিযোগ উঠছে, জমির চরিত্র বদল না করেই বাড়িটি তৈরি করা হয়েছে। এমনকী ‘নালা’ অর্থাৎ জলাশয়ের উপরেই বাড়িটি তৈরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। এর আগে হুমায়ুনপত্নীকে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর থেকে নোটিস পাঠানো হয়। ওই লিখিত নোটিসে জানানো হয়, মানিক্যহার মৌজায় জে এল নম্বর ৯২, প্লট নম্বর ৪৪০৪-এ প্রায় ০.২ একর জমির চরিত্র বেআইনিভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে। এই মর্মে একটি গণস্বাক্ষর করা অভিযোগপত্র জমা পড়েছে। বেআইনিভাবে জমির চরিত্র পরিবর্তন করার জন্য আগামী সাত দিনের মধ্যে হুমায়ুন পত্নীকে উত্তর দিতে বলা হয়। উত্তর না পেলে কেন তাঁর বিরুদ্ধে ডব্লিউবিএলআর আইন ১৯৫৫ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

Advertisement

‘নালা’ প্রকৃতির জমি বলতে সাধারণত জল নিষ্কাশনের ছোট খাল বা ডোবাকে বোঝায়। যা জলাশয় কিংবা কৃষি জমির অংশ হিসেবে গণ্য হয়। আইনত নালা ভরাট করা বা তার চরিত্র পরিবর্তন বেআইনি। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অনুমতি ছাড়া এর ব্যবহার পরিবর্তন করা যায় না। কিন্তু বাড়িটি তৈরির ক্ষেত্রে আইনকে অমান্য করা হয়েছে বলেই অভিযোগ ওই আধিকারিকের। যদিও যে বাড়ি নিয়ে যাবতীয় বিতর্কে সেখানে ১৭-১৮ বছর ধরে থাকছেন বলেই জানান হুমায়ুন কবীর। শুধু তাই নয়, বাম আমলে জমির চরিত্র পরিবর্তন করে ‘ভিটে’ করার জন্য একাধিকবার যে সরকারি দরজায় ঘুরেছেন তা জানান তিনি। হুমায়ুনের কথায়, বাড়ি তৈরির সময় প্রশাসনের তরফে কেউ কোনও কথা বলেনি। এখন যেভাবে স্ত্রীকে নোটিস পাঠানো হয়েছে তাতে প্রতিহিংসাই দেখছেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান। তাঁর অভিযোগ, “তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে নতুন দল করার জন্য আমার বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক আচরণ করা হচ্ছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.