Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
CNG crisis

যুদ্ধের আঁচ কলকাতায়, বাড়ল অটোর ভাড়া, পকেটে টান মধ্যবিত্তের

বুধবার ভোররাত থেকেই কেমিক্যাল পাম্পে অটোচালকদের লম্বা লাইন। তাঁদের অভিযোগ, আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। অথচ হঠাৎ করে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ১৫:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ১৫:২৫

options
link
যুদ্ধের আঁচ কলকাতায়, বাড়ল অটোর ভাড়া, পকেটে টান মধ্যবিত্তের zoom
অটোর গ্যাসের দামবৃদ্ধিতে বাড়ল ভাড়া। ফাইল ছবি

যুদ্ধ আবহে জ্বালানি সংকট। কলকাতায় সিএনজির জোগান কমছে (CNG crisis) বলেই খবর। আর তার ফলে বাড়ল অটোর গ্যাসের দাম। বাড়তি খরচ সামাল দিতে একাধিক রুটের অটোভাড়া বাড়ানো হয়েছে। গন্তব্যে পৌঁছতে পকেটে টান মধ্যবিত্তের।

বুধবার ভোররাত থেকেই কেমিক্যাল পাম্পে অটোচালকদের লম্বা লাইন। তাঁদের অভিযোগ, আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। অথচ হঠাৎ করে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। রাতে গ্যাসের দাম ছিল ৫৭ টারা ৬৮ পয়সা। একলাফে ৫ টাকা দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন গ্যাসের দাম বেড়ে হয়েছে ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা। তাঁদের আরও অভিযোগ, বেশি দাম দেওয়া সত্ত্বেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। আবার অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরেও গ্যাস পাচ্ছেন না তাঁরা। কেন রাতারাতি লিটার প্রতি ৫ টাকা করে দাম বাড়ল অটোর গ্যাসের? পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, তাঁদের কিছু করার নেই। আচমকা এক নির্দেশিকা এসেছে। আর সে কারণেই বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে অটোর গ্যাস।

Advertisement

গ্য়াসের বাড়তি দামের ধাক্কা সামাল দিতে বহু অটোচালক ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন। চিংড়িহাটা থেকে এসডিএফগামী এক যাত্রীর দাবি, এই রুটে অটো ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা। যা আগে নিত ১৫ টাকা। একধাক্কায় তিন টাকা ভাড়া বেড়ে গিয়েছে। আবার গড়িয়া-বারুইপুর, সোনারপুর-গড়িয়া রুটেও ভাড়া কিছুটা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেই খবর। আচমকা ভাড়া বৃদ্ধিতে স্বাভাবিকভাবেই পকেটে টান পড়েছে নিত্য যাতায়াতকারীদের। অটোচালক সংগঠন সূত্রে খবর, ২-৩ টাকা নয় বাড়তি দামে অটোর গ্যাস ভরাতে হলে প্রতিটি রুটে ৫-১০ টাকা করে বাড়তে পারে ভাড়া। নইলে অটো পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আর কোনও গতি থাকবে না চালকদের।

এদিকে, কলকাতার হোটেল-রেস্তরাঁতেও দুশ্চিন্তার কালো মেঘ। কলকাতার খাদ্য গলি ডেকার্স লেন থেকে পার্ক সার্কাসের বিখ‌্যাত বিরিয়ানির দোকান, শিয়ালদহ থেকে যাদবপুর, সর্বত্র উঠেছে ‘গ‌্যাসের ব্যথা’। গ‌্যাসের অভাবে দোকান বন্ধ হওয়ার উপক্রম। বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তার ঢেউ খেলছে পার্ক স্ট্রিট, গোল পার্ক, চাঁদনি, এসপ্ল‌্যানেড-সহ একাধিক রেস্তরাঁ ও হোটেল পাড়ায়। আবার গেরস্তর রান্নাঘরেও যেন আঁধার নামার জোগাড়। বুকিংয়ের পরেও গ্যাস না পৌঁছনোয় মাথায় হাত গৃহিণীর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.