Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
SIR Final List

প্রশাসনিক নির্দেশে নাম উঠেছিল ২০০৯ সালে, SIR-এ নাম নেই কল্যাণীর চরযাত্রাসিদ্ধির শয়ে শয়ে ভোটারের!

চরযাত্রাসিদ্ধির সাধারণ মানুষদের ক্ষোভ, আতঙ্ক বাড়ছে। এসআইআরের পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর থেকে নদিয়ার কল্যাণীর এই এলাকায় শুরু হয়েছে চর্চা। প্রশ্ন উঠেছে, এবার কী হবে? কারণ, ওই এলাকার ১০১৩ জন ভোটার। তাঁদের মধ্যে ৩৭১ জন ভোটারের নামই নেই।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২৬, ২০:২১

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২৬, ২০:২১

options
link
প্রশাসনিক নির্দেশে নাম উঠেছিল ২০০৯ সালে, SIR-এ নাম নেই কল্যাণীর চরযাত্রাসিদ্ধির শয়ে শয়ে ভোটারের! zoom
আতঙ্ক, দুশ্চিন্তায় ওই এলাকার বাসিন্দারা। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

চরযাত্রাসিদ্ধির সাধারণ মানুষদের ক্ষোভ, আতঙ্ক বাড়ছে। এসআইআরের পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (SIR Final List) প্রকাশের পর থেকে নদিয়ার কল্যাণীর এই এলাকায় শুরু হয়েছে চর্চা। প্রশ্ন উঠেছে, এবার কী হবে? কারণ, ওই এলাকার ১০১৩ জন ভোটার। তাঁদের মধ্যে ৩৭১ জন ভোটারের নামই নেই। এসআইআরের পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর সেই বিষয়ই সামনে এসেছে। ৬৪২ জনের নাম থাকলেও ৩৭১ জনের পাশে ‘ডিলিট’ উল্লেখ রয়েছে।

এই অবস্থায় নতুন করে আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে ওই এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে। ভৌগোলিক কারণে ওই এলাকা অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। নদিয়া ও হুগলি জেলার সীমান্ত এলাকা ছিল এই চরযাত্রাসিদ্ধি এলাকা। কোন জেলায় এই এলাকা পড়বে? সেই নিয়ে বহু বছর টানাপোড়েন চলেছিল। ভাগীরথী নদী দুই জেলাকে বিভক্ত করায় আগে অনেকেই হুগলিতে ভোট দিতেন। ১৯৭৫ সালে গ্রামের মানুষজন ভোট দিয়েছিলেন। তারপর বহু দশক ভোট দিতে পারেননি ওই এলাকার বাসিন্দারা। ভোটাধিকার বিষয় নিয়ে আন্দোলনও হয়েছিল এলাকায়।

Advertisement

২০০২ সালে ওই চরসিদ্ধিপুর এলাকার বাসিন্দাদের নাম কোথাও ছিল না। সেজন্য তাঁরা ভোটও দিতে পারেননি! শেষপর্যন্ত প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের তরফে এই এলাকার ভোটারদের নিয়ে কাজ শুরু হয়। নদিয়া এলাকার বাসিন্দা হিসেবে নতুন করে তাঁদের নাম তালিকায় তোলা হয়। দুই জেলার প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে ২০০৯ সালে তাঁদের নাম নদিয়ার ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়। ফলে সেই থেকেই তাঁরা নদিয়ায় কল্যাণী বিধানসভায় ভোট দিয়ে আসছেন।

২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় এবার এসআইআরে বাদ পড়েছে ওই এলাকার ৩৭১ জন ভোটার। বহু প্রবীণ বাসিন্দার নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ। বিশেষ শিবির ও শুনানিতে হাজিরা দিয়েও সুরাহা মেলেনি! এই অবস্থায় ভোটাধিকার হারানোর আশঙ্কায় ক্ষুব্ধ ও উদ্বিগ্ন মানুষজন। তাদের নাম ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত করা হোক, সেই দাবি তোলা হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.