জগাছার উনসানি থেকে ধরা পড়া এক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী দম্পতি ডাব ও তাল বিক্রি করে কীভাবে একটি দোতলা বাড়ি ও লরির মালিক হল তার কারণ খুঁজতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। আর তদন্ত শুরু করতেই বেশকিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে পুলিশের সামনে। পুলিশ জানতে পেরেছে, রমজান গাজি ও সাদিনা বেগম নামে দিন দশেক আগে ধরা পড়া ওই বাংলাদেশি দম্পতি ডাব ও তাল বিক্রির পাশাপাশি প্রোমোটিংয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়। আর এর পরই ধৃত দম্পতি রাতারাতি অর্থবান হয়ে ওঠেন। এমনকী হয়ে ওঠেন কোটিপতিও! একেবারে জমি কিনে একটি দোতলা বাড়ির মালিকও হন ধৃত ওই বাংলাদেশি দম্পত্তি। এখানেই শেষ নয়, নাম লেখান পরিবহণ ব্যবসাতেও। কেনেন একটি লরি। কিন্তু বিপুল এই টাকা ধৃত রমজানের কাছে কীভাবে আসে? কোনওভাবে সীমান্তের ওপার থেকে তাঁর কাছ থেকে টাকা এসেছে? খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, ধৃত রমজান এবং সাদিনার মাথার উপর কোনও ‘প্রভাবশালী’ জেলা তৃণমূল নেতৃত্বর হাত ছিল কিনা তাও পুলিশের নজরে রয়েছে বলে খবর।
এই বিষয়ে আরও খবর
পুলিশ জানতে পেরেছে, রমজান গাজি ও সাদিনা বেগম নামে দিন দশেক আগে ধরা পড়া ওই বাংলাদেশি দম্পতি ডাব ও তাল বিক্রির পাশাপাশি প্রোমোটিংয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়। আর এর পরই ধৃত দম্পতি রাতারাতি অর্থবান হয়ে ওঠে। এমনকী হয়ে ওঠেন কোটিপতিও!

মুখ্যমন্ত্রী পদে দায়িত্ব নিয়ে হাওড়ায় প্রশাসনিক বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠক থেকেই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানোর নির্দেশ দেন তিনি। এরপরেই পুলিশের তরফে শুরু হয় ধরপাকড়। সেই সময় জগাছার উনসানি এলাকা থেকে ধরা হয় রমজানি গাজি এবং সাদিনা বেগমকে। ধরা হয় আরও বেশ কয়েকজন অনুপ্রবেশকারীকে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় ১৪ বছর আগে বেআইনিভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢোকে ওই দম্পত্তি। সবার নজর এড়িয়ে সেখানে একেবারে পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করে দেন তাঁরা। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে জগাছা থেকে ধৃত দম্পতি ১৪ বছর আগে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার রতনপুর এলাকা থেকে দালালদের মাধ্যমে সীমান্ত পেরিয়ে এ দেশে আসে। এরপর জগাছার উনসানির একটি ভাড়া বাড়িতে প্রথমে বসবাস শুরু করে। প্রথমে এই পরিবারটি এলাকায় ডাব ও তাল বিক্রি করত। ডাব ও তাল বিক্রি ছেড়ে স্থানীয় প্রোমোটারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুবাদে পুরোনো বাড়ি ভাঙার বরাত পায় পরিবার কর্তা রমজান। পরবর্তীকালে তিনি এই কাজই করতেন।
পুলিশ জানায়, এরই মধ্যে ওই ব্যক্তি একটি লরি কেনেন। ওই লরিতেই ভাঙা বাড়ির মালপত্র তুলে বিভিন্ন জায়গায় পুকুর বোজানোর কাজে বিক্রি করতেন। এই প্রসঙ্গে হাওড়া সিটি পুলিশের এক কর্তা বলেন, ‘’ধৃত ওই বাংলাদেশিকে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে। কিন্তু এই কয়েক বছরে এত লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক কী করে হয়ে উঠল রমজান সেটাই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’’
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
কালীঘাট মন্দিরে গয়না চুরিতে সিবিআই তদন্তের দাবি! এবার ‘সুপ্রিম’ দরবারে সাবর্ণ পরিবার
-
শ্রবণ, মনন ও নিদিধ্যাসন, ‘গুরুকুল’ শিক্ষাব্যবস্থার প্রাণভ্রমর
-
পুজোর আগেই বিজেপিতে ১৭ এনসিপিআই সাংসদ! জগদীশ বসুনিয়ার দাবি ঘিরে আলোড়ন
-
‘একলা চলো রে…’, এশিয়াড জিমন্যাস্টিক্সে ভারতের হয়ে ‘একক’ লড়াইয়ে বঙ্গকন্যা প্রণতি
-
শুভশ্রীর সঙ্গে সকলের সামনে কথা বলতে ‘ভয়’ পান দেব! জানেন কেন?



