বাবুল হক, মালদহ: কেপটাউনে বিরাট জয়। একের পর এক রেকর্ড। ততক্ষণে লক্ষ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়ে গিয়েছে বাংলার এই প্রান্তে। কালো টাকা উদ্ধারে যে জেলার নাম সবার আগে আসে সেই মালদহে এবার বেটিং চক্র সক্রিয় হল। বুধবার রাতে শহরের এক গোপন ডেরায় হানা দিয়ে ক্রিকেট বেটিং চক্রের ৫ পান্ডাকে গ্রেপ্তার করল ইংরেজবাজার থানার পুলিশ।
[মৃত পুলিশ অফিসারই সাক্ষী! সিউড়ি আদালতে শোরগোল]
ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা তৃতীয় একদিনের ম্যাচ চলার সময় ইংরেজবাজারে বেটিং চক্রের পর্দা ফাঁস হল। স্থানীয় থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুণ্ডুর কাছে খবর আসে, চুড়িপট্টি এলাকায় মনোতোষ সাহার বাড়িতে বসেছে বেটিংয়ের আসর। তখনই সেই বাড়িতে হানা দেয় পুলিশের একটি দল। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন আইসি পূর্ণেন্দুবাবু। সেখান থেকে পাঁচজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের কাছ থেকে কয়েকটি মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে। বেশ কিছু নথিও উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ধৃতদের সঙ্গে কলকাতার বড়সড় একটি চক্রের যোগ রয়েছে বলে অনুমান পুলিশের। তাদের জেরা করে ইতিমধ্যেই পুলিশ বেশ কিছু তথ্য পেয়েছে। মালদহ জেলা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ধৃতরা হল মনোতোষ সাহা, নরেন বর্মন, উজ্জ্বল রায়, উত্তম ঘোষ ও আতাউল হোসেন। বৃহস্পতিবার ধৃত ৫ জনকে মালদহ আদালতে তোলা হয়। তাদের জামিনের আবেদন খারিজ করে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

[‘দলের কথা ভেবেই চালিয়ে খেলেছি’, ম্যাচ জিতে বললেন কোহলি]
ইংরেজবাজার থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুণ্ডু জানান, ক্রিকেট বেটিং চক্রের ওই ডেরা থেকে বেটিংয়ের কাজে ব্যবহৃত বেশ কিছু সামগ্রী পুলিশ উদ্ধার করেছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১৬টি মোবাইল ফোন, ১টি ট্যাব-মোবাইল, ১টি ল্যাপটপ, ১টি এলইডি টিভি, নগদ ৩০ হাজার টাকা ও ক্রিকেট জুয়ার ব্যবসায় ব্যবহৃত খাতাপত্র। ওই গোপন ডেরা থেকেই শহর জুড়ে বেটিংয়ের রমরমা ব্যবসা চলছিল। ধৃতরা কার্যত বুকির কাজ করত। বাইরে থেকে তাদের ফোন করেই বেটিংয়ে অংশ নিতে পারত জুয়াড়িরা। খেলা শেষেই লেনদেনের কাজ গুটিয়ে ফেলা হত। ধৃত বুকিদের সঙ্গে কলকাতার কোনও বেটিং চক্রের যোগ রয়েছে বলেও পুলিশ মনে করছে।
সর্বশেষ খবর
-
রামমন্দিরে প্রণামী চুরি বিতর্কে চম্পত রাইয়ের ইস্তফা গৃহীত, ট্রাস্টের শীর্ষপদে এবার কে?
-
‘কাস্তেটা শান দিও বন্ধু’, উচ্ছেদ-বিরোধিতা বড় অস্ত্র! বর্ধমানে ফের চাঙ্গা হচ্ছে সিপিএম
-
ভিক্ষুর আত্মাহুতি, জন্মদিনে দলাইকে মোদির শুভেচ্ছা, দিল্লির ‘তিব্বত চালে’ চাপে চিন!
-
‘আমার বাচ্চার মতোই যেন কষ্ট পায় শয়তানরা…’, ফুঁসে উঠলেন বারুইপুরের নির্যাতিতার মা
-
ছাতা হারানোর রোগ? কীভাবে সামলাবেন বর্ষার সঙ্গীকে, রইল ৫ অব্যর্থ উপায়