Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Ranaghat

বাবার চায়ের দোকান, দারিদ্রকে সঙ্গী করেই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় জোড়া সোনা প্রাপ্তি বঙ্গকন্যার

'সোনার মেয়ে' রানাঘাটের তনিমা বিশ্বাসের জীবন সংগ্রামের কথা এখন সকলের মুখে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ২০:১৫

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ২০:১৫

options
link
বাবার চায়ের দোকান, দারিদ্রকে সঙ্গী করেই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় জোড়া সোনা প্রাপ্তি বঙ্গকন্যার zoom
দারিদ্রের সঙ্গে লড়েই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে জোড়া সোনার পদক আনলেন রানাঘাটে তনিমা বিশ্বাস, নিজস্ব ছবি
Advertisement

ঘরে দারিদ্র চরম। বাবার সামান্য চায়ের দোকান থেকে যেটুকু আয়, তাতেই কোনওক্রমে চলে সংসার। নুন আনতে পান্তা ফুরনো সংসারে মেয়ের স্বপ্ন দেখা বিলাসিতা ছাড়া আর কী? কিন্তু বিলাসিতা নয়, দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করেই স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন রানাঘাটের মেয়ে তনিমা বিশ্বাস। তার সুফল পেলেন তিনি। থাইল্যান্ডে আন্তর্জাতিক যোগা প্রতিযোগিতা থেকে জিতে জোড়া স্বর্ণপদক ছিনিয়ে নিয়ে এলেন ‘সোনার মেয়ে’ তনিমা। বুঝিয়ে দিলেন, মনের জোরে সব হয়।

রানাঘাটের পায়রাডাঙার উকিলনারা এলাকার ছোট্ট ঘর। সেখানেই পরিবারের সঙ্গে থাকেন তনিমা বিশ্বাস। বাবা চায়ের দোকান চালান। যৎসামান্য আয়ে কোনওরকমে সংসার চলে। সেই সংসারে সাত বছর বয়স থেকে যোগাভ্যাসকে আঁকড়ে ধরেছিলেন তনিমা। মায়ের হাত ধরে তার শুরু। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন স্তরে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণও বাড়তে থাকে। কঠোর অনুশীলনের জেরে একের পর এক সাফল্য হাতের মুঠোয় আসে তনিমার। তাতে আত্মবিশ্বাস আরও বাড়তে থাকে।

থাইল্যান্ডে আন্তর্জাতিক যোগা প্রতিযোগিতা থেকে জোড়া স্বর্ণপদক পেলেন বঙ্গকন্যা, নিজস্ব ছবি

রানাঘাটের পায়রাডাঙার উকিলনারা এলাকার ছোট্ট ঘর। সেখানেই পরিবারের সঙ্গে থাকেন তনিমা বিশ্বাস। বাবা চায়ের দোকান চালান। যৎসামান্য আয়ে কোনওরকমে সংসার চলে। সেই সংসারে সাত বছর বয়স থেকে যোগাভ্যাসকে আঁকড়ে ধরেছিলেন তনিমা। মায়ের হাত ধরে তার শুরু। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন স্তরে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণও বাড়তে থাকে। কঠোর অনুশীলনের জেরে একের পর এক সাফল্য হাতের মুঠোয় আসে তনিমার। তাতে আত্মবিশ্বাস আরও বাড়তে থাকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে এতটা পথ পেরনো মোটেই সহজ ছিল না তনিমার পক্ষে। পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য সীমিত। তার মধ্যেই তনিমার প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার খরচ চালাতে হয়েছে পরিবারকে। অভাব থাকলেও মেয়ের যোগার অনুশীলনে বাধা দেননি বাবা-মা। সামর্থ্য অনুযায়ী সবসময় পাশে থেকেছেন। এবার সেই পরিশ্রমের ফল মিলল থাইল্যান্ডে। আন্তর্জাতিক যোগা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে জোড়া সোনার পদক পেয়েছেন তনিমা। আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে দুটি সোনা নিয়ে পায়রাডাঙায় ফিরেছেন। খুশি যেন উপচে পড়ছে পরিবারে। তাঁর সাফল্যে গর্বিত এলাকার মানুষও। সামনে আরও বড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সাফল্য পাওয়াই লক্ষ্য তনিমার।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.