Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
তেলেনিপাড়া

হুগলিতে বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা, লাটে উঠেছে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’-অনলাইন পড়াশোনা

তেলেনিপাড়ার হিংসা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব রুখতে ১৭ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ইন্টারেন্ট পরিষেবা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২০, ১৬:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২০, ১৬:১৪

options
link
হুগলিতে বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা, লাটে উঠেছে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’-অনলাইন পড়াশোনা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তেলেনিপাড়ার হিংসা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব রুখতে গুগলির বিভিন্ন এলাকার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। যার ফলে প্রবল সমস্যায় সাধারণ মানুষ। কারণ, লকডাউনে কাজ কিংবা পড়াশুনো সবক্ষেত্রেই ভরসা ইন্টারনেট।

রবিবার সন্ধে থেকে দু’টি গোষ্ঠীর মধ্যে গন্ডগোলে উত্তপ্ত ভদ্রেশ্বরের তেলেনিপাড়া। বিভিন্ন বাড়ি লক্ষ্য করে ইট ও পাথর ছোঁড়া পাশাপাশি চলেছে ব্যাপক বোমাবাজি। বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর ও সোনার দোকানে লুটপাট চালানো বলে অভিযোগ ঘটে। সোমবার সকাল থেকেই বিষয়টি নিয়ে শুরু বিজেপি ও তৃণমূলের তরজা। বিজেপির পক্ষ থেকে স্থানীয় এক তৃণমূল কাউন্সিলরের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি দেখতে চাইলে স্থানীয় বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে বাধা দেয় পুলিশ। এর জেরে নতুন করে উত্তেজনাও ছড়ায়। মঙ্গলবার সকাল থেকে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। দফায় দফায় বোমাবাজি, ভাঙচুর চলে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়াতে শুরু করে গুজব। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার হুগলির উত্তরপাড়া থেকে বৈদ্যবাটি, চণ্ডীতলা থেকে জাঙ্গিপাড়া, ওদিকে গ্রামীণ এলাকায় হরিপাল, সিঙ্গুর, তারকেশ্বর-সহ বিভিন্ন এলাকায় সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট পরিষেবা। বেশ কিছু জায়গায় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে গতি। এতেই প্রবল সমস্যায় যারা ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ করছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফল ও সবজি খালাসের সময় লুঠের চেষ্টা, বর্ধমানের পাইকারি বাজারে আতঙ্ক তুঙ্গে]

চন্দননগরের বাসিন্দা তথ্যপ্রযুক্তির কর্মী এক বলেন, “অফিসের কাজ বাড়ি বসেই সারছি। আজ একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিং করার কথা ছিল ভিডিও কনফারেন্সে। কিন্তু তা আর করা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।” এরকমই বহু মানুষের অফিসের কাজ করবেন বলে ল্যাপটপের সামনে অপেক্ষারত। কিন্তু নেই ইন্টারনেট! একই অবস্থা পড়ুয়াদেরও। অনলাইনে পড়াশুনোর ক্ষেত্রেও প্রবল সমস্যায় পড়ুয়ারা। ১৭ তারিখ পর্যন্ত কী করে এভাবে কাজ চলবে তা ভেবেই কুলকিনারা পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। 

[আরও পড়ুন: পড়ুয়া টানতে হাতিয়ার করোনা, গ্রিন জোনের টোপ দিয়ে ভরতির বিজ্ঞাপন কলেজের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.