Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজ্যের গুড় পাড়ি দেবে বিদেশে, উদ্যোগ শিল্পকেন্দ্রের

বিদেশের বাজার ধরতে গুণগত মানের উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও উন্নত প্যাকেজিংয়ের প্রয়োজন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০১৯, ২০:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০১৯, ২০:৫৪

options
link
রাজ্যের গুড় পাড়ি দেবে বিদেশে, উদ্যোগ শিল্পকেন্দ্রের zoom
Advertisement

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলার গুড় এবার বিদেশে রপ্তানির সুযোগ করে দিতে উদ্যোগী ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দপ্তর৷ বিদেশের বাজার ধরতে গুণগত মানের উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও উন্নত প্যাকেজিংয়ের প্রয়োজন। আর তা করতে পারলে বিদেশের বাজার ধরার সম্ভাবনা রয়েছে জেলায় উৎপাদিত গুড়ের।

[আইনি পরিষেবা সমিতির তৎপরতা, বিয়ে আটকে গেল নাবালিকার]

আগে মদ শিল্পে গুড়ের চাহিদা ছিল। কিন্তু এখন প্রায় নেই বললে চলে। ফলে উৎপাদিত গুড়ের বিকল্প বিপণনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। ইংল্যান্ড, আমেরিকায় উন্নতমানের গুড় থেকে চকোলেট-সহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী উৎপাদিত হয়। সেখানে গুড়ের ভাল চাহিদা রয়েছে। বিদেশের সেই বাজার ধরতে পারলে লাভবান হবেন এখানকার উৎপাদকরা। সেই লক্ষ্যে জেলার গুড় উৎপাদকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ, সচেতনতা ও উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে গুরুত্ব দিচ্ছে জেলা শিল্প কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই সেই কাজও শুরু করে দিয়েছে তারা। রাজ্যের ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, “ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পে বিনিয়োগের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ প্রথম। বিভিন্ন উৎপাদিত সামগ্রী বিদেশে রপ্তানিও করা হচ্ছে। গুড়ও রপ্তানি করে বাড়তি আয়ের সুযোগ রয়েছে। উৎপাদকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে রপ্তানিতে৷” শুধু উৎসাহিত করাই নয়, বিদেশের বাজার ধরতে গুণগত মানের উন্নয়ন এবং প্যাকেজিং করাও জরুরি। একইসঙ্গে দীর্ঘদিন সংরক্ষিত করে রাখার ব্যবস্থা করাও প্রয়োজন রয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[সিরিয়ালে অভিনয়ের শখ, স্কুল থেকে পালাতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল ২ নাবালিকা]

জেলা শিল্পকেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার অভিজিৎ কর জানান, কেতুগ্রাম-২ ব্লকের চরসুজাপুরে গুড় উৎপাদক বা কারখানাগুলিকে নিয়ে ক্লাস্টার গঠন করা হয়েছে। সেই ক্লাস্টারে এসে বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণও দিয়েছেন। কোয়ালিটি অফ প্রোডাক্ট অর্থাৎ আরও উন্নতমানের গুড় কীভাবে তৈরি করতে হবে তা শেখানো হয়েছে। সংরক্ষণ, প্যাকেজিং ও রপ্তানির খুঁটিনাটি বিষয়েও পাঠ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আখ থেকে আরও বেশি পরিমাণ রস কীভাবে নিষ্কাশিত করা যায়, গুড়ের পরিমাণ বৃদ্ধি করা যায় সেই বিষয়েও উৎপাদকদের জানানো হয়েছে। জেলা শিল্প কেন্দ্রের ম্যানেজার সুনীল হাজরা জানিয়েছেন, বিদেশের বাজার ধরতে উৎপাদকদের গত ফেব্রুয়ারি থেকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গুড় উৎপাদক তন্ময় দে জানান, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন তাঁরা। এখন শুধু রাজ্যের বাজারই নয়, বিদেশের বাজারও ধরতে পারলে আয় বাড়বে। প্রচুর কর্মসংস্থানও হবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.