৮ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ২৬ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: বৃহস্পতিবার সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পরই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখা যায় জলপাইগুড়ির পাণ্ডাপাড়ার বাসিন্দাদের মধ্যে। কারণটা খুব পরিষ্কার। ঘরের মেয়ের জয় বলে কথা। এই পাড়াতেই বড় হয়ে উঠেছেন যাদবপুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী। আর তাই শুক্রবার ভোরের আলো ফুটতেই হইহই করে সবাই বেড়িয়ে পড়েছেন মিমির জয় উদযাপনে৷ দূরত্বের নিরিখে কলকাতা থেকে জলপাইগুড়ি খুব একটা কাছে নয়৷ তা সত্ত্বেও এতটুকু ভাঁটা পড়েনি জয়োচ্ছ্বাসে।

[আরও পড়ুন:  নেত্রীর ভরসা রাখলেন মিমি-নুসরত, বিপুল ভোটে জয়ী তৃণমূলের নতুন তারকা প্রার্থীরা ]

কলকাতায় পা রাখার আগে উত্তরবঙ্গের এই শহরেই কেটেছে মিমির স্কুলজীবন। তাঁর পড়াশোনা হোলি চাইল্ড স্কুলে। পরে অবশ্য বিন্নাগুড়ির সেন্ট জেমস স্কুলে ভরতি হয়েছিলেন। তারপরই কলকাতার আশুতোষ কলেজ। সেখানে পড়তে পড়তেই এক অডিশনে ঋতুপর্ণ ঘোষের নজরে পড়েন। তাঁর হাত ধরেই অভিনয়ে হাতেখড়ি ‘গানের ওপারে’ ধারাবাহিক দিয়ে। তারপর থেকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন। এখন তিনি শুধু আর অভিনেত্রী নন, রাজনৈতিক পরিচিতিও পেয়েছেন মিমি চক্রবর্তী। জয়ী হওয়ার পর গুরুজনরা জানিয়েছেন আশীর্বাদ৷ বাদ যায়নি কচিকাঁচারাও৷ তাঁদের মুখে মুখে ফিরছে প্রিয় মিমি ‘দিদি’র নাম। শুক্রবার সকাল থেকেই ‘মিমি ফ্যানস ক্লাব’-এর তরফে শুরু হয়েছে মিষ্টি বিতরণ। বাড়ির পাশেই পাণ্ডাপাড়া কালীবাড়ি। সেই কালী মন্দির চত্বরেই জমায়েত হয়েছিলেন সকলে। এর আগে জলপাইগুড়িতে ভোট দিতে গিয়েও সকলের আবদারে সেলফি তুলেছেন অভিনেত্রী, কথাও বলেছেন। 

[আরও পড়ুন:  মিমির নামের পাশে নীল কালির চিহ্ন, ইভিএম কারচুপির অভিযোগ বিজেপির]

বাংলায় পদ্মের রমরমা৷ ভোটের ফলপ্রকাশের পর সেই শোকে মুষড়ে পড়েছিলেন অনেক ঘাসফুল সমর্থকরাই। এই প্রেক্ষাপটে ঘরের মেয়ের জয় কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে জলপাইগুড়ির বাসিন্দাদের। যাদবপুর কেন্দ্র থেকে ২ লক্ষ ৯৫ হাজার ২৩৯ ভোটে জয়ী হয়েছেন রাজনীতিতে আনকোরা মিমি চক্রবর্তী। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই সিনেমাকে সরিয়ে রেখে ভোটের প্রচারে মন দিয়েছিলেন যাদবপুর কেন্দ্রের তৃণমূলের তারকা প্রার্থী মিমি। বিরসা দাশগুপ্তের ‘বিবাহ অভিযান‘ ছবিতে অভিনয় করার প্রস্তাব ফিরিয়েছেন৷ দক্ষতার নিরিখে অভিনেত্রী হিসাবে টলিপাড়ায় প্রভাব জমিয়েছেন অনেক আগেই। কেরিয়ারের মধ্যগগনে এবার তাঁর দ্বিতীয় ইনিংসের সূচনা৷ ২০১৯ লোকসভা ভোটের সৌজন্যেই তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে রাজনীতির ময়দানে পা রাখা৷ নবাগতা হলেও দিন যত গড়িয়েছে প্রচারের মঞ্চে তাঁকে দেখা গিয়েছে অভিনেত্রী নয়, রাজনীতিক হিসেবে। তৃণমূল সুপ্রিমোর তরফে সাংসদ হিসাবে ভোটে লড়ার টিকিট পেয়েছিলেন তিনি৷ তৃণমূল নেত্রীর আস্থার ফল মিলেছে৷ এবার তাঁর পথ দিল্লির দিকে৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং