Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

এগিয়ে আসছে কবরখানা, অশরীরী আতঙ্কে স্কুলমুখো হচ্ছে না পড়ুয়ারা

জানেন মালবাজারের এই স্কুলের আতঙ্কের কাহিনি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯, ১৮:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯, ১৮:৪৪

options
link
এগিয়ে আসছে কবরখানা, অশরীরী আতঙ্কে স্কুলমুখো হচ্ছে না পড়ুয়ারা zoom

অরূপ বসাক: পাকা স্কুলবাড়ি। সময়েই হাজির শিক্ষক। কিন্তু আজ যেন আগের দিনের তুলনায় পড়ুয়ার সংখ্যা আরও কম। যারা রয়েছে তাদেরও চোখেমুখে আতঙ্ক। পড়ায় মন বসাতে পারছে না কেউ। শিক্ষকের মনও কেমন যেন উচাটন। দিনের আলোতেও গোটা স্কুলে থমথমে পরিবেশ। এমনটাই চেহারা মালবাজার মহকুমার রানিচিরা চা বাগানের জুনিয়র হাই স্কুলের। অশরীরীর আতঙ্ক জুড়ে বসেছে গোটা স্কুল জুড়ে। পাশের কবরখানাটা যেন ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে স্কুলের দিকে।

[অশ্লীল ছবি দেখিয়ে ছাত্রীদের আপত্তিকর জায়গায় হাত, গ্রেপ্তার শিক্ষক]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু কেন এমনটা ঘটছে? কী করে সম্ভব তা? এই প্রশ্নের উত্তরে স্কুলের শিক্ষক সুব্রত তাম্বি যা জানান, তার সারমর্ম এই যে স্কুলের ৭০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে স্থানীয় সমাধিস্থল অর্থাৎ কবরখানা। স্কুলের সীমানায় কোনও প্রাচীর নেই। অনেকেই কবরখানার সীমানা পেরিয়েও মরদেহ সমাধিস্থ করে চলে যাচ্ছেন। ফলে কবরখানার পরিধি ক্রমশই বাড়ছে আর আর তা স্কুলের আরও কাছাকাছি চলে আসছে। এতে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। আর দিনের পর দিন তা বেড়ে চলেছে। পড়ুয়ারা মাঠে খেলতে যেতেও ভয় পাচ্ছে।

WhatsApp Image 2017-12-06 at 11.30.29

স্কুলেরই এক ছাত্রী রাজিত্রা কুজুর জানায়,  যেদিন মৃতদেহ নিয়ে এসে এখানে কবর দেওয়া হয় সেদিন ভয়ে স্কুলের দরজা জানালা বন্ধ করে কোনও রকম ক্লাস চলে। আবার লোকজনের বেশি ভিড় হয়ে গেলে ভয়ে স্কুল ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। শ্যাম ওঁরাও, দিপু বাসোয়ার মতো পড়ুয়াদের অভিযোগ,  স্কুলের সামনে দিয়েই মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয় মাঠে। সেই সময় খুব ভয় লাগে। ছুটির পর বাড়িতে চলে গেলেও আতঙ্ক থেকেই যায়।

[অবৈধ দখলদারি রুখতে গিয়ে জমি মাফিয়াদের হাতে প্রহৃত তৃণমূল নেত্রী]

রাতে সব থেকে বেশি ভয় লাগে। তবে যদি পাঁচিল থাকত তাহলে অত ভয় হয়তো লাগত না। কারণ তখন স্কুল চত্বরের ভেতর দিয়ে মৃতদেহ নিয়ে যেতে পারত না। এই আতঙ্কে অনেক পড়ুয়া স্কুলে আসা বন্ধ করে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ।

WhatsApp Image 2017-12-06 at 11.30.25

পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয় বর্ষার সময়। পড়ুয়ারা জানাচ্ছে, বৃষ্টির সময় একাধিক সমাধির উপরের মাটি সরে যায়। আর কখনও কখনও কুকুর এসে মৃতদেহের হাড়, মাথার খুলি মুখে করে নিয়ে চলে আসে। তখন পড়ুয়ারা আরও ভয় পেয়ে যায়।

শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক সকলের মধ্যে এ নিয়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এর সুষ্টু সমাধান চান সকলে। চান অবিলম্বে স্কুলের সীমানায় প্রাচীর হোক। যাতে যেখানে-সেখানে এভাবে মরদেহ সমাধিস্থ না করা হয়। আর পড়ুয়ারা নিশ্চিন্তে ক্লাস করতে পারে।

[নিম্নচাপের ভ্রুকুটিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রাজ্যে, পূর্বাভাস আবহাওয়া দপ্তরের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.